ইতিহাস গড়ে সেবা তীর্থে সরল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সই মোদীর

Feb 14, 2026 - 15:24
Feb 14, 2026 - 15:28
 13
ইতিহাস গড়ে সেবা তীর্থে সরল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সই মোদীর

সংবাদ সংস্থা ঃ শুক্রবার সেন্ট্রাল ভিস্তায় তিন ভবনবিশিষ্ট নতুন কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার পোশাকি নাম ‘সেবাতীর্থ’। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে এই মোদি সরকারই প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন দপ্তর তৈরি করেছে। সেবা তীর্থ-১-এ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর স্থানান্তরিত হয়েছে। তার পাশে, সেবা তীর্থ-২ তে মন্ত্রিসভার সচিবালয়, সেবা তীর্থ-৩-এ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের দপ্তর তৈরি হয়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বদলাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঠিকানা। পাশাপাশি, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ‘কর্তব্য-১’ এবং ‘কর্তব্য-২’ নামে দুই ভবনেরও। সেখানে কেন্দ্রীয় অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, কর্পোরেট, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার, তথ্য ও সম্প্রচার, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ, সার ও রসায়ন এবং আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি স্থানান্তরিত করা হবে। উদ্বোধনের পরই ‘সেবাতীর্থ’ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন মোদী। ‘প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্প’-এর সূচনা করলেন তিনি। উদ্বোধনের পরই নতুন দফতর থেকে কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সেবাতীর্থে প্রথম দিনেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে সই করেছেন নরেন্দ্র মোদী। ওই সিদ্ধান্তগুলির ফলে দেশের নারী, কৃষক ও যুব সমাজ সরাসরি উপকৃত হবেন বলে মত প্রশাসনিক মহলের। নতুন দফতর থেকেই সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও গতিশীল করার বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। শুধু সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, স্বাস্থ্য পরিষেবার দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি নতুন প্রকল্প সংক্রান্ত নথিতেও এ দিন স্বাক্ষর করেন তিনি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জরুরি অবস্থায় চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর নতুন দফতর সেবাতীর্থ আধুনিক পরিকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব নকশায় তৈরি। প্রশাসনিক সূত্রের মতে, এখানে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও কার্যকর হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও কাজের সুবিধার দিক থেকেও এই নতুন পিএমও আগের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। সাউথ ব্লক থেকে পিএমও সরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের আওতায় এই স্থানান্তর দেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। নতুন দফতর থেকেই প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসনব্যবস্থাকে আরও ‘জনমুখী’ ও ‘সেবামুখী’ করার লক্ষ্যে এগোবেন—এমনটাই দাবি করছে প্রশাসনিক মহল। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী এই সংক্রান্ত প্রকল্পে ১০ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিলেন।