তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস মেয়ো রোড মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আমি যোগমায়া দেবী কলেজের ছাত্র পরিষদ ইউনিট তৈরি করেছিলাম। তখন পার্থ দা, অশোক দা রা ছিলেন ছাত্র পরিষদের নেতা। সেই সময় মহিলা নেত্রী কম ছিলো, ফলে আমাকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য সারা ভারতবর্ষ যেতে হয়েছে।
২০১১ সালের পর রাজ্যের আয় বেড়েছে সাড়ে পাঁচ গুণ, এত বিরোধীতা করা সত্বেও।
প্রায় ২ কোটি মানুষ কে দারিদ্র্য সীমার নিচে নিয়ে এসেছি, যা সারা ভারতে শ্রেষ্ঠ।
শিক্ষা ক্ষেত্রে ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করার জন্য ৬৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে আমার সরকার।
যখন ভারতের কেউ ভাবতে পারেনি তখন কন্যাশ্রী করেছি। আর এটা এখন সারা পৃথিবীর মডেল।
৯২ হাজার ছাত্র ছাত্রী স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পেয়েছে।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ভাইস চ্যান্সেলর আছেন যেখানে গবেষকদের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। আমি ব্রাত্য কে বলে সেটা আবার চালু করার ব্যবস্থা করেছি। সবাই তো আর আমাদের নয়, আসলে কেউ কেউ আছে যারা একটু দুষ্টুমি করে।
যারা নিয়োগে বাঁধা দেয়, যারা কোর্টে কেস করে এরা দু'নম্বরি। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের রেজাল্ট দেরিতে বের হয়েছে, এটার জন্য আমরা দায়ী নই, ওরা কেস করে আটকে রেখেছিলো।
তোমরা ব্যাক ডোরে লড়াই করো। আর ব্যাক ডোরে লড়াই করে তোমরা নিয়োগ আটকে রাখো।
আজ তৃণমূল কে শুধু বাম বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয় না। যত শক্তি আছে সবার সঙ্গে লড়াই করতে হয়।
আমাদের এখানে দেড় কোটির মতো পরিযায়ী আছেন।কই
ইলেকশন আসলেই এজেন্সির দাপাদাপি বাড়ে। আগে এজেন্সি গুলো রাজনীতি করতো না।
আমি অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। আমাকে শিখিয়ে লাভ নেই। আমি এবার বই লিখবো কাকে কেমন দেখেছি। আপনাকে নিয়েও তো একটা লেখা থাকবে।(!!!)
সেলফিস জায়ান্টরা, যারা হাই লোডেড ভাইরাস, যাদের হিমোগ্লোবিন কম আছে, তারা ভাবছে এনআরসি চালু করে ভোটাধিকার কেড়ে নেবে। কিন্তু জেনে রাখুন জীবন থাকতে ভোটাধিকার কাড়তে দেবো না।
বাচ্চারা ললিপপ খেলে মানায় , কিন্তু বড়রা ললিপপ খেলে মানায় না(ইলেকশন কমিশন কে উদ্দেশ্য করে)
হিংসা করে বাংলা আর পাঞ্জাবকে ভাগ করেছেন। তখন তো আমরা ছিলাম না, এর দায় আমরা নেবো না।
বাংলার ইতিহাস ভুলে গেছেন।
এখন আমার টাকা দিয়ে দিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে বাংলাকে অপমান করার জন্য। ক্ষুদিরাম বসু কে বলছে কি না ক্ষুদিরাম সিং
যখন ভারত স্বাধীন হয় তখন কোথায় ছিলে তোমরা? তোমাদের যারা পুর্ব পুরুষ আছে তারা ব্রিটিশের দালালি করেছিলো আর মুচলেকা দিয়ে এসেছিলো।
কেরালার পাঠ্য বইতে লেখা হয়েছে নেতাজী না কি ইংরেজদের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলো !
বাংলা ভাষা বলে যদি কিছু নাই থাকে তাহলে জন গন মন বলে জাতীয় সংগীত গাও কি করে ?
আঁধার কার্ড টা কমপালসারি। করা হয়েছে।
ললিপপ সরকার বিডিও, ডিএম, পুলিশকে ভয় দেখাচ্ছে। বলছে চাকরি খেয়ে নেবো।
আপনাদের দুর্নীতির ভান্ডারা কিন্তু আমাদের কাছেও আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না, আপনাদের ভান্ডারা খুলে দেবো। অমিত শাহ বাবু, আপনার ছেলে তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল এ আছে, কি করে গেলো ? পরিবারবাদ নিয়ে কথা বলছেন, আপনাদের পরিবারের কারা কারা কোথায় কোথায় আইএএস, আইপিএস হয়ে রয়েছেন ? এগুলো পরিবারবাদ নয় ?
আগামি নির্বাচনে আরো সিট বাড়বে।
বাংলার ঘরে যত ভাইবোন এক হোক, এক হোক, এক হোক। একথা মনে রাখতে হবে।