রাধাকৃষ্ণণকে সমর্থনের দাবি, উপরাষ্ট্রপতি বাছতে খাড়গেকে ফোন রাজনাথের

Aug 18, 2025 - 20:46
 7
রাধাকৃষ্ণণকে সমর্থনের দাবি, উপরাষ্ট্রপতি বাছতে খাড়গেকে ফোন রাজনাথের

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে রবিবার সিপি রাধাকৃষ্ণণের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি।এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাধাকৃষ্ণণকে জেতাতে ইন্ডিয়া জোটের সমর্থন আদায়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ফোন করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।জগদীপ ধনকড়ের উত্তরসূরি খুঁজতে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই নির্বাচনের দায়িত্ব এনডিএ-র তরফে দেওয়া হয়েছে রাজনাথ সিংকে। অন্যদিকে নির্বাচনী এজেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কিরেন রিজিজুকে। দায়িত্ব হাতে নিয়েই মাঠে নেমে পড়েছেন রাজনাথ। প্রার্থী ঘোষণার পরই নাড্ডা জানিয়েছিল, “আমরা বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের সমর্থন নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাতে রাধাকৃষ্ণণকে জেতানো যায় সে চেষ্টা করব। আমরা ওদের বরিষ্ঠ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। এনডিএ শিবিরের সমস্ত নেতৃত্বের সমর্থন আমাদের রয়েছে। ওনারাও যাতে সমর্থন করেন সে চেষ্টা করব।” নাড্ডার বিবৃতির পর সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রের খবর, উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী রাধাকৃষ্ণণকে সমর্থনের দাবি জানিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ফোন করেন রাজনাথ সিং। তাঁকে অনুরোধ জানানো উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার জন্য। যদিও রাজনাথের সে অনুরোধ ইন্ডিয়া জোট রাখবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। কারণ এই নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে ইন্ডিয়া শিবিরে। বিরোধীপক্ষে কানাঘুঁষো, ইন্ডিয়া জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হচ্ছেন ডিএমকের রাজ্যসভার সাংসদ তিরুচি সিবা। সূত্রের দাবি, রাধাকৃষ্ণণের প্রতিপক্ষ হিসাবে দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুরই একজন রাজনীতিবিদকে প্রার্থী করে পালটা চাল দিতে চাইছে বিরোধী জোট। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে, মহারাষ্ট্রে, বাংলায় আঞ্চলিক ভাষা বিতর্ক সামনে এসেছে। হিন্দির আগ্রাসন নিয়ে সরব হয়েছেন দেশের বিরোধী এবং আঞ্চলিক দলগুলি। এই অবস্থায় সিপি রাধাকৃষ্ণণের মতো একজন আঞ্চলিক নেতার বিরুদ্ধে তিরুচি সিবার মতো আরেক জন আঞ্চলিক নেতাকে লড়িয়ে দিয়ে চাইছে ইন্ডিয়া জোট। বিরোধীদের অভিযোগ, তামিলদের স্বার্থরক্ষায় বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয় বিজেপি, বরং রাধাকৃষ্ণণনকে প্রার্থী করে রাজনৈতিক প্রচারের সুবিধা নিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এই অবস্থায় শাসকদলের আর্জি বিরোধীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।