দক্ষিণ আফ্রিকাকে রেকর্ড রানে হারিয়ে একগুচ্ছ নজির অজিদের
প্রোটিয়াদের ২৭৬ রানে পরাস্ত করে রেকর্ড বুকে নাম তুলে নিলেন ট্র্যাভিস হেড, ক্যামেরন গ্রিনরা। প্রথমে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ৪৩২ রানের পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্য রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া।জবাবে মাত্র ১৫৫ রানে শেষ হয়ে যায় মার্করাম, বাভুমা সমৃদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের এভাবে হারিয়ে একগুচ্ছ রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলীয় ব্যাটাররা। এই প্রথমবার ওয়ানডের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার তিন টপ অর্ডার একসঙ্গে সেঞ্চুরি হাঁকালেন। সর্বোচ্চ রান করেন ট্রাভিস হেড। তাঁর নামের পাশে ১০৩ বলে ১৪২ রান। তাছাড়াও অধিনায়ক মিচেল মার্শ করেন ১০৬ বলে ১০০।সবচেয়ে মারমুখী ছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। ৫৫ বলে অপরাজিত ১১৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিয়েছেন তিনি।ব্যক্তিগত মাইলফলকও গড়েছেন গ্রিন। ক্যামেরন গ্রিন ওয়ানডে কেরিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরিই করলেন রেকর্ড গড়ে।মাত্র ৪৭ বলে শতরান হাঁকান তিনি। যা অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দ্রুততম। দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির রয়েছে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের নামে। ২০২৩ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, ওপেন করতে নামা হেড এবং মার্শের জুটিতে উঠেছে ২৫০ রান। যা প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে যে কোনও দলের সর্বোচ্চ। তাছাড়াও একই ম্যাচে এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার দু’টি দেড়শো রানের বেশি জুটি হয়েছে। এমন ঘটনা সব মিলিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে মাত্র দশমবার ঘটল।দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭৬ রানে হারানোর পর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারানোর তালিকায় ষষ্ঠস্থানে উঠে এল অস্ট্রেলিয়া। এই তালিকায় প্রথমে রয়েছে ভারত। ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কাকে ৩১৭ রানে হারিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচে অজি দলের রেকর্ডের ঝাঁপি এখানেই বন্ধ হয়ে যায়নি। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ৪৩১ রান দলীয় সংগ্রহের তালিকায় নবম সর্বোচ্চ। তবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে এই রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। যা আবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এত রেকর্ডের পরেও কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজ হারাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।