কুলপীতে এসআইআর আতঙ্কে গৃহবধূর মৃত্যু, ছেলেকে হোম গার্ডের চাকরি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সানওয়ার হোসেন, কুলপি: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এসআইআরের শুনানির আতঙ্কে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হন খালেদা পুরকাইত নামে এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছিল কুলপীর করঞ্জলি অঞ্চলের দেওয়ানতেকিয়া গ্রামে। পরিবারে স্বামী-সহ চার পুত্র ও তিন কন্যা রয়েছে তাঁর।সোমবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র পান মৃতার বড় ছেলে খালেক পুরকাইত। তাঁকে রাজ্য সরকারের হোম গার্ড স্বেচ্ছাসেবক পদে নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র পেয়ে খুশি পুরকাইত পরিবার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে চাকরির চিঠি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন খালেক। মৃতার স্বামী শামসুদ্দিন পুরকাইত বলেন, এসআইআর সংক্রান্ত হয়রানি না হলে অকালে স্ত্রীকে হারাতে হতো না। তবে ছেলেকে চাকরি দেওয়ায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তাঁর মঙ্গল কামনা করেন। খালেক পুরকাইত জানান, হোম গার্ড স্বেচ্ছাসেবক পদে নিযুক্ত হয়ে তিনি ১৮৬১ সালের আইন ৫-এর অধীনে নিযুক্ত এক পুলিশ কর্মীর মতোই নির্দিষ্ট ক্ষমতা ও সুরক্ষা পাবেন। পাশাপাশি তিনি এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধের আবেদন জানান কেন্দ্র সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে।
এই প্রসঙ্গে কুলপি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বেবী মিত্র বলেন, এসআইআর আতঙ্কে এক গৃহবধূর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার জেরে বহু পরিবার আতঙ্কিত। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।