রাঘবের পদ কাড়তে ৯০ বিধায়ক-সহ রাষ্ট্রপতি দরবারে আপ
রাঘব চাড্ডাকে ঘায়েল করতে ময়দানে আম আদমি পার্টি। দলবদলু রাঘব চাড্ডা-সহ ৭ সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সাক্ষাতে আপ নেতৃত্বরা। মঙ্গলবার ৩টি বাসে ৯০ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি এসে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।অন্যদিকে আপের পালটা এদিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন রাঘব চাড্ডাও।আপ সংসদ হিসেবে একসময় রাজ্যসভাতে ‘রাইট টু রিকল’ আইনের দাবি জানিয়েছিলেন রাঘব চাড্ডা। এই আইনের অর্থ হল, কোনও নেতা মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর দলবদল করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে দ্বিচারিতার চরম সীমায় পৌঁছে ৬ সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাঘব। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মান। এরপর মুর্মুর সঙ্গে কথোপকথনের বিস্তারিত তুলে ধরেন সংবাদমাধ্যমের সামনে।মান বলেন, ”আমি রাষ্ট্রপতিকে বলেছিল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে পুরো দল অন্য দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কিন্তু যদি একটি সভায় ৬-৭ জন সদস্য এটা করেন তবে এই স্বেচ্ছাচারিতা সহ্য করা যায় না। এটা গণতন্ত্রের উপহাস। পাঞ্জাবে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২ জন অথচ রাজ্যসভায় ৬ জন সাংসদ। এটা গণতন্ত্রকে উপহাস করা ছাড়া আর কী হতে পারে?” পাশাপাশি মান বলেন, “আমি রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জি জানিয়েছি সংবিধান সংশোধন করে ‘রাইট টি রিকল’ আইন আনা হোক। আমি রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে বড় চিঠি দিয়েছি। নির্বাচিত এবং মনোনীতে মধ্যে ফারাক থাকে। ওদের সাংসদ পদ খারিজ হওয়া উচিত।” মানের আগে এদিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন রাঘব-সহ দলবদলু সাংসদরা। অভিযোগ করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে পাঞ্জাব সরকার। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চাড্ডা বলেন, “আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পাঞ্জাব সরকার এবং আম আদমি পার্টি প্রতিহিংসা চালাচ্ছে। বেছে বেছে সেই সব সাংসদদের টার্গেট করা হচ্ছে যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।” এরপরই আপ নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে রাঘব বলেন, “আমরা যখন বিজেপিতে ছিলাম তখন আমরা সংস্কারি ছিলাম। মতবিরোধের জেরে দল ছাড়তেই এখন আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে গেলাম!