পশ্চিমবাংলা সরকারের জনকল্যাণ শিবির শুরু হল সোমবার থেকে।

Jun 16, 2026 - 08:20
 5
পশ্চিমবাংলা সরকারের জনকল্যাণ শিবির শুরু হল সোমবার থেকে।

*প্রদীপ কুমার সিংহ*

*বারুইপুর* পশ্চিমবাংলা বিধানসভা নির্বাচনের পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটার পর একটা জনক কল্যাণমূলক প্রকল্প ঘোষণা করে। বিগত তৃণমূল সরকারের দুয়ারে সরকার যেসব প্রকল্প ছিল সেইগুলোই বিজেপি সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রকল্পের নাম বিভিন্ন রাখা হয়েছে। যদিও ভারতবর্ষের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির যা প্রকল্প আছে তাই পশ্চিমবাংলায় নাম রাখা হয়েছে। কেমন লক্ষীর ভান্ডারে নাম পরিবর্তন করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার রাখা হয়েছে, প্রকল্পের নাম বাদ দিয়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে, আবাস যোজনা নাম বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নাম দেয়া হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির শিবির করা হয়েছে তার নাম দেয়া হয়েছে জনকল্যাণ শিবির। এই সিভিটি চালু হয়েছে ১৫ ই জুন সোমবার থেকে তা চলবে ১৭ জুন বুধবার পর্যন্ত। এই শিবির সকাল দশটা থেকে শুরু হয় তা চলে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বারুইপুর ব্লকে বিভিন্ন জায়গায় এই শিবির করা হয়। যেমন বারুইপুর পৌরসভা,বারুইপুর রবীন্দ্র ভবনে,বারুইপুর ফুলতলা এক নম্বর গেটের পাশে, মদারাট গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশে একটি কমপ্লেক্সে, বারুইপুর কিষান মান্ডিতে।

 বারুইপুর পৌরসভা ও বারুইপুর রবীন্দ্র ভবনের শিবিরে বারুইপুর পৌরসভার ১৭টি ওয়ার্ডের মানুষ এই শিবির গুলিতে তাদের বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করে দিচ্ছে। বারুইপুর মাদারাট গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশে যে কমপ্লেক্সে এই শিবিরটি হচ্ছে তাতে মদারাট গ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত হরিহরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত মল্লিকপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত চম্পাহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ এই শিবিরে এসে বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করে। বাড়ির ফুলতলা এক নম্বর গেটের পাশে পশ্চিমবাংলায় এক্সপেরিমেন্ট ওয়ার্কশপে যে শিবির টি হয় তাতে শংকরপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত,শংকরপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত, শিকড়বালি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত, শিখর বালি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত,কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, ধপ ধপি ১নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ও ধপ ধপি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ এই শিবিরে অংশগ্রহণ করে। বারুইপুর কিষাণ মান্ডি শিবিরে রামনগর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত রামনগর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত বেলেগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত, হারদা গ্রাম পঞ্চায়েত সহ আরো কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ এই শিবিরে আসেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করেন। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি পরাজিত প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল বলেন তৃণমূল সরকার দুয়ারের শিবির করেছিল। বিভিন্ন প্রকল্পের দুর্নীতিতে ভরেছিল। ২০২৬-এ বিধানসভা ভোটের পর পশ্চিমবাংলার ডবল ইঞ্জিনের সরকার আসে তাতে করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মানুষের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ ঘোষণা করে। জনকল্যাণ শিবির ১৫ জুন থেকে ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা এই শিবিরে সমাধান হবে নিয়ে আশা করে। মদারাট গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি যাদবপুর সংগঠনিক মহিলা মোর্চার সদস্যরা পায়েল ধর বলেন তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভান্ডারে টাকা পুরুষ একাউন্টে ঢুকেছে। এবার যাতে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা মহিলাদের ব্যাংক একাউন্টে ঢুকে তার জন্য সরকার সতর্ক আছে। নিয়ে আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন সবকা সাত সবকা বিকাশ। অর্থাৎ সব মানুষই স্বচ্ছ থাকবে। দুর্নীতির কোন জায়গা নেই। ১৫ তারিখ থেকে যে শিবির শুরু হয়েছে তাতে পশ্চিমবাংলা লাখো, লাখো,কোটি,কোটি মানুষ ভালো পরিষেবা পাবে। লাখো লাখো মানুষ এই শিবিরে অংশগ্রহণ করেছে।