টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ, ‘দিদির ফোনে’ মন গলল খগেশ্বর রায়ের—তৃণমূলেই থাকার ঘোষণা
জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়কে ঘিরে চলা জল্পনা অবশেষে স্তিমিত হল। দলের টিকিট না পেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পর তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে যখন জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল, ঠিক সেই সময়েই পরিস্থিতিতে নাটকীয় মোড় আসে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জলপাইগুড়িতে জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মহুয়া গোপকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে খগেশ্বর রায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ফোন করেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলার পরই সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে।”
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন স্বপ্না বর্মন। টিকিট না পাওয়ার পর খগেশ্বর রায় প্রকাশ্যে অসন্তোষ দেখান এবং জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদে না থাকার কথাও ঘোষণা করেন। এর জেরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা ছড়ায়, তিনি দলবদল করতে পারেন কিনা।
তবে ‘দিদির ফোন’-এর পর সেই জল্পনায় কার্যত ইতি পড়ল। দলীয় সূত্রের খবর, নির্বাচনের আগে সংগঠনের ভেতরের ক্ষোভ প্রশমনে শীর্ষ নেতৃত্ব সক্রিয় হয়েছে। অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে খগেশ্বর রায়কে দলে ধরে রাখা তৃণমূলের কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, খগেশ্বর রায়ের এই অবস্থান বদল রাজগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এখন দেখার, নির্বাচনের ময়দানে এই নতুন সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলে।