‘আমি তৈরি, নির্বাচকেরা সিদ্ধান্ত নিন’, আত্মবিশ্বাসী ভুবনেশ্বর
এখনও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন ভুবনেশ্বর কুমার।সাড়ে তিন বছরেরও বেশি তিনি ভারতীয় দলের বাইরে। যদিও আইপিএলে ভারতীয় জোরে বোলারদের মধ্যে তিনি অন্যতম ধারাবাহিক পারফর্মার। জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা, আকাশ দীপদের ঘন ঘন চোট হঠাৎ করেই আলোচনায় নিয়ে এসেছে ভুবনেশ্বরকে।লখনউয়ে রয়েছেন ভুবনেশ্বর। ইউপি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ভারতীয় দলে ডাক পেলে কি খেলবেন? আপনি কি প্রস্তুত? একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে ভুবনেশ্বর বলেছেন, ‘‘ডাক পেলে কেন না বলব? সম্পূর্ণ প্রস্তুত আমি।’’ দীর্ঘ দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা জোরে বোলার বলেছেন, ‘‘সত্যি বলতে, আমি ঠিক কতটা তৈরি বলতে পারব না। তবে আমার কাজ ক্রিকেট খেলা। সে জন্যই ইউপি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছি। কোনও সুযোগের আশায় বা নতুন কোনও স্তরে উন্নীত হওয়ার আশা নিয়ে খেলতে আসিনি। যেমন আইপিএল খেলার সময় মাথায় থাকে, ভাল খেলতে হবে। দলকে জেতাতে হবে। আমি সুযোগ পেতে পারি কিনা বা আমাকে নিয়ে কেউ কিছু বলছে কিনা, এ সব ভেবে খেলি না। আমি উপযুক্ত কিনা, সেটা বিবেচনা করা আমার কাজ নয়। এটা নির্বাচকদের বিষয়।’’ দেশের হয়ে ২১টি টেস্ট, ১২১টি এক দিনের ম্যাচ এবং ৮৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ভুবনেশ্বর। রবি শাস্ত্রী, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দীনেশ কার্তিকের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা ভারতের এক দিনের দলে ভুবনেশ্বরকে দেখতে চাইছেন। বিশ্বকাপে ভুবনেশ্বরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন তাঁরা। ভুবনেশ্বর নিজে এত কিছু ভাবতে চাইছেন না। তিনি বলেছেন, ‘‘বিশ্বকাপের আগে এখনও অনেক সময় রয়েছে। তার আগে আমায় প্রচুর ক্রিকেট খেলতে হবে। আগামী মরসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা নিয়ে কিছু ঠিক করিনি। তবে আমার লক্ষ্য, যত বেশি সম্ভব ক্রিকেট খেলা।’’ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পর ঘরোয়া ৫০ ওভারের ম্যাচ এবং ২০২৪ সালের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি ভুবনেশ্বর।ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর বা প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর তাঁকে ফেরানোর কোনও ইঙ্গিত দেননি। মহম্মদ শামিকেও গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে ব্রাত্য করে রাখা হয়েছে জাতীয় দলে। একাধিক বোলারের চোট এবং তরুণেরা প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে না পারায় ভুবনেশ্বর, শামিদের দলে ফেরানোর কথা বলা হচ্ছে।