দুর্গাপুরে ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর আড়ালে নেশাজাতীয় বস্তু বিক্রির অভিযোগ, আটক দোকানদার

Mar 8, 2026 - 18:27
 20
দুর্গাপুরে ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর আড়ালে নেশাজাতীয় বস্তু বিক্রির অভিযোগ, আটক দোকানদার

দুর্গাপুর:

‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর নামে নেশাজাতীয় চকলেট বিক্রির অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল দুর্গাপুরে। নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর কাছে ওই চকলেট পাওয়া যাওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে স্কুল কর্তৃপক্ষের। ঘটনার জেরে অভিযুক্ত এক দোকানদারকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের রানা প্রতাপ রোড এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে। শনিবার অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে আসে নতুনপল্লি এলাকার এক নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার হাতে থাকা একটি সবুজ রঙের প্যাকেট নিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নজরে পড়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বসুর।

সন্দেহ হওয়ায় তিনি দ্রুত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে ওই ছাত্রীর কাছে যান এবং প্যাকেটটি দেখতে চান। জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রীটি জানায়, ধুনড়া প্লট এলাকার একটি দোকান থেকে সে চকলেটটি কিনেছে। দোকানদার সঞ্জয় গড়াই তাকে বলেছিলেন এটি একটি ভেষজ চকলেট। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি আসলে নেশাজাতীয় বস্তু।

বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে প্রধান শিক্ষিকা সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্রীর অভিভাবকদের খবর দেন এবং পুলিশকে জানানো হয়। এরপর অভিভাবক ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ সরাসরি ওই দোকানে পৌঁছায়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত দোকানদার সঞ্জয় গড়াইকে আটক করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কীভাবে একটি দোকানে প্রকাশ্যে এমন সন্দেহজনক চকলেট বিক্রি হচ্ছে এবং তা আবার অপ্রাপ্তবয়স্ক পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বসু জানান, প্যাকেটটি দেখেই তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে ছাত্রীটি জানায় যে কাছের একটি দোকান থেকে এটি কিনেছে এবং তাকে বলা হয়েছে এটি ভেষজ চকলেট। কিন্তু একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর হাতে এই ধরনের বস্তু বিক্রি হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।