অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয়ের স্বাদ, উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্যাট কামিন্সদের হারিয়েছে বাংলাদেশ। এমন ঐতিহাসিক সাফল্যের পর পদ্মাপারের দেশে উৎসবের মেজাজ। অজিভূমে প্রথমবার টেস্ট জয়ের পর ভিডিও কলে ‘টাইগার’দের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এই জয়ের কথা। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্ট হারিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। ২৩ বছর পর অজিভূমে টেস্ট খেলতে নেমেছিল ওপার বাংলার টাইগাররা। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটা বাংলাদেশের ৩ নম্বর টেস্ট। আর তৃতীয় টেস্টেই প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ পেলেন মেহেদি মিরাজরা। ‘ফার্স্ট বয়’ অজিদের হারিয়ে বাংলাদেশে উৎসবের মেজাজ।তারেক রহমান বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের এই জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। খেলোয়াড়দের সংকল্পবদ্ধ মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।” ২০০০ সালে প্রথমবার টেস্ট খেলার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। মাত্র ২৬ বছরেই এমন এক নজির গড়ে ফেলল বাংলাদেশ, যা তথাকথিত হেভিওয়েট দলের পক্ষেও সম্ভব হয়নি।টেস্ট ক্রিকেটে মাত্র ২৬ বছর বয়স হওয়া সত্ত্বেও এই তিন উপমহাদেশীয় হেভিওয়েটকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ। তারা প্রথমবার অজি সফরে গিয়েছিল ২০০৩ সালে। ডারউইনের মাঠে ইনিংস এবং ১৩২ রানে বিধ্বস্ত হয় টাইগার ব্রিগেড। পরের ম্যাচটাও ইনিংস হার। তারপর ২৩ বছরের অপেক্ষা। ২০২৬ সালে আবারও ডারউইনের মাঠেই খেলতে নামল টাইগার ব্রিগেড। অজিদের ধরাশায়ী করে ৯ উইকেটে জিতল ম্যাচ। অজিভূমে তিন নম্বর টেস্ট খেলতে নেমেই জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা, উপমহাদেশীয় দেশগুলির মধ্যে দ্রুততম। এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তে দলের ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ-সহ সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আশা, পরের টেস্টেও নাজমুল হোসেন শান্তরা ভালো খেলবেন।