ধর্ষক আসারামের জামিন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে
সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি পেলেন না নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। অসুস্থতাকে হাতিয়ার করে শীর্ষ আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। তবে সে আর্জি আপাতত খারিজ করা হয়েছে। ২০১৩ সালে যোধপুরের আশ্রমে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল আসারামের বিরুদ্ধে। এর পর ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ইন্দোর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় ২০১৮ সালে রাজস্থান হাই কোর্টের যোধপুর বেঞ্চ ধর্মগুরুকে দোষী সাব্যস্ত করে। তার পর থেকে যোধপুরেই জেলবন্দি রয়েছেন ৯০ বছরের আসারাম। এই মামলায় আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দেওয়া হয় স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুকে। এই সাজার বিরুদ্ধে আপিলের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত কারণে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়েছিলেন তিনি।তবে মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, সরকার পক্ষের বক্তব্য স্পষ্টভাবে না শোনার পর কোনওভাবেই জামিন মঞ্জুর করা যাবে না। আদালতের বয়ান অনুযায়ী, “আমরা এখনই এই জামিন মঞ্জুর করছি না। সরকারের বক্তব্য শোনার পর বিবেচনা করব জামিন মঞ্জুর করার মতো গুরুতর প্রয়োজন আছে কি না।” সেক্ষেত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থা যদি গুরুতর আকার নেয় এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, এই পরিস্থিতিতে আসারাম ফের আদালতে আবেদন করতে পারবেন।উল্লেখ্য, জেলবন্দি হলেও বহুবার প্যারোলে একাধিকবার মুক্তি পেয়েছেন এই অপরাধী। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট একের পর এক আদালতে দফায় দফায় জামিনের আর্জি জানিয়েছেন ৯০ বছরের আসারাম বাপু। যদিও তাঁর সে আবেদন আদালতে কোনও মান্যতা পায়নি।