মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং হড়পা বানে ফের বিপর্যস্ত জম্মু! ঘরবাড়ি, বন্ধ জাতীয় সড়ক
মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের জেরে ফের বিপর্যয় জম্মু ও কাশ্মীরে।শুক্রবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে প্রথম হড়পা বান আঘাত হানে কিস্তওয়ার জেলায়। ছত্রু এলাকায় আছড়ে পড়ে তা। অবিরাম বৃষ্টির কারণে চেনাব উপত্যকার ডোডা এবং রামবনেও আঘাত হেনেছে হড়পা বান। স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় কবলিত এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। হঠাৎ নেমে আসা জলের স্রোতে মূল বাজারে পাথর, কাদা ও পিচ্ছিল আবর্জনা জমে যাওয়ায় কিস্তওয়ার–ছত্রু–সিন্থান জাতীয় সড়ক যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ছত্রুর জলধারার তীরে পার্ক করা দু’টি গাড়ি ভেসে যায়, পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দোকান ও বাড়ি জলে ডুবে যায়।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ শনিবার সকালে জানান, মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং হড়পা বানের খবর পাওয়ার পরেই তিনি কিস্তওয়ারের ডেপুটি-কমিশনার (জেলাশাসক) পঙ্কজকুমার শর্মার সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বিপর্যয়ের এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ও ব্যবসায়ীদের সরকারি ত্রাণ নীতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রক ইতিমধ্যেই কিস্তওয়ার ও মাচাইলে একটি করে ‘আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম’ (ইডব্লিউএস) স্থাপন করেছে। এর ফলে উন্নততর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সরঞ্জামের সাহায্যে আগাম বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দেওয়া সম্ভব হবে।’’ জিতেন্দ্রের দাবি, গত বছর বিধ্বংসী চাসোটি হড়পা বান বিপর্যয়ের পরে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। গত অগস্টের ওই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মাচাইল মাতা (চণ্ডীমাতা) মন্দিরগামী অর্ধশতাধিক পুণ্যার্থী-সহ ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনার পর নিখোঁজ হওয়া প্রায় ৩০ জনের এখনও সন্ধান মেলেনি।