বারুইপুর ফুলতলা শিল্পাঞ্চলের একটি ওষুধের ল্যাবরেটরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন

Jul 25, 2026 - 14:46
 10
বারুইপুর ফুলতলা শিল্পাঞ্চলের একটি ওষুধের ল্যাবরেটরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন

 *প্রদীপ কুমার সিংহ বারুইপুর* শুক্রবার রাতে বিধ্বংসী আগুন লেগে একটি ওষুধের ল্যাবরেটরীর সব পুড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার অন্তর্গত বারুইপুরের ফুলতলা ২ নম্বর গেট সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলে একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী ল্যাবরেটরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ল্যাবরেটরি ভস্মীভূত হয়ে যায়। এই ল্যাবরেটরিতে মাস্ক,কফ সিরাপ-সহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করা হতো বলে জানা গিয়েছে।

খবর পেয়ে বারুইপুর ও সোনারপুর দমকল কেন্দ্র থেকে মোট ৪ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। দমকল কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দিনের কাজ শেষে শ্রমিকরা ল্যাবরেটরি বন্ধ করে চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর আগুনের সূত্রপাত হয়। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথম ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসে তারা প্রথমে দমকল বিভাগে খবর দেয় পরে বারুইপুর থানার পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে এস আই শুব্রজ্যোতি মন্ডলের নেতৃত্বে বারুইপুর থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। আগুনের তীব্রতায় ল্যাবরেটরি ভবনের দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে, ফলে ভবনটির স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 দমকল বিভাগের আধিকারিক ও পুলিশের

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এসির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে দমকল ও পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

 ওই ল্যাবরেটরির মালিক মল্লিকা গাঙ্গুলি বলেন এই ল্যাবরেটরীতে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতেন শুক্রবার সন্ধ্যায় সবাই বাড়ি চলে যাওয়ার পর ল্যাবরেটরি তালা দিয়ে দেয়া হয়। আমিও বারুইপুরের খাস মল্লিক এলাকায় বাড়িতে চলে যাই। বাড়ি পৌঁছবার 1 ঘন্টা পরে আমায় ফোন করে জানায় এই ল্যাবরেটরীতে আগুন লাগে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ল্যাবরেটরির মধ্যে যা ছিল সবই উড়ে বস্মিভূত হয়ে গেছে। হতাহতের কোন খবর পাইনি যেহেতু বন্ধ ছিল। কতটা ক্ষতি হয়েছে তা এখনই বলতে পারব না। 

আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল মোটামুটি ভাবে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা আগুন আয়তে আনতে সময় লাগে। দমকল বিভাগের আধিকারিক এবং বারুইপুর থানার পুলিশ খতিয়ে দেখছে কিভাবে আগুনটি লাগে।