গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি মন্দিরের সামনে সমুদ্র তট ও নদীবাঁধ পরিদর্শনে প্রশাসন, ভরা কটালের আগে বাড়ছে উদ্বেগ

Jul 22, 2026 - 14:33
 9
গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি মন্দিরের সামনে সমুদ্র তট ও নদীবাঁধ পরিদর্শনে প্রশাসন, ভরা কটালের আগে বাড়ছে উদ্বেগ

অমিত মণ্ডল;গঙ্গাসাগর:

আসন্ন ভরা কটালকে সামনে রেখে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন সমুদ্র তট ও নদীবাঁধের ভাঙন ঘিরে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখতে আজ কপিলমুনি মন্দিরের সামনে সমুদ্র তট ও নদীবাঁধ পরিদর্শন করেন ইরিগেশন (সেচ) দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের বিডিও কানাইয়া কুমার রায়, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি এবং প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।

দীর্ঘদিন ধরেই সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন উপকূলবর্তী এলাকা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। প্রতিটি জোয়ারে উত্তাল ঢেউ নদীবাঁধ ও সমুদ্রতটকে আরও দুর্বল করে তুলছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি গঙ্গাসাগরে আগত তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের গঙ্গাসাগর মেলার প্রাক্কালে এই এলাকায় স্নানঘাট ও নদীবাঁধ সংস্কারের কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সেই সংস্কার করা অংশের বড় অংশ আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও বাঁধে ফাটল, কোথাও বা স্নানঘাটের অংশ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হওয়ার মুখে। এই পরিস্থিতি প্রশাসনেরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

পরিদর্শনের সময় আধিকারিকরা ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেন। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে স্থায়ী ও শক্তিশালী নদীবাঁধ নির্মাণ এবং দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য, শুধুমাত্র অস্থায়ী মেরামত নয়, ভবিষ্যতের ভাঙন রুখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

এখন সকলের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আসন্ন ভরা কটালের আগে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন এই গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।