রাম মন্দিরের প্রণামী চুরি, মোদিকে চিঠি রাহুলের
রাম মন্দিরে প্রণামী চুরি বিতর্কে দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিশ্বাস ও ভক্তির সঙ্গে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দান করেছিলেন। কিন্তু আজ তারা এই চুরির ঘটনায় প্রতারিত হয়েছেন। কিন্তু এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ গোটা ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং ট্রাস্টের নথিপত্রও জনসমক্ষে প্রকাশ করারও আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল এবং খাড়গে। ট্রাস্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সংসদে এটি গঠনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার সদস্যদের নিয়োগ করেছিল। ট্রাস্টের সদস্যদের আরএসএস, ভিএইচপি-র মতো সংগঠনগুলিরর সঙ্গে যোগ রয়েছে। ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ।” উল্লেখ্য, অযোধ্যার রাম মন্দিরে তিন হাজার কোটি টাকার চুরিতে প্রশ্নের মুখে শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্যরা। এই পরিস্থিতিতে বিতর্ক সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। দ্রুত গঠিত হয়েছে সিট। তবে তারা এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি। সূত্রের খবর, ট্রাস্টের প্রাক্তন প্রধান চম্পত রাইকে ওই রিপোর্টে সেভাবে দোষী হিসাবে ধরা হয়নি। তবে অনেক বেশি কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মন্দিরের নির্মাণের দায়িত্বে থাকা অনিল মিশ্রকে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷