25 Sep 2021, 5:24 AM (GMT)

Coronavirus Stats

33,624,419 Total Cases
446,690 Death Cases
32,876,319 Recovered Cases

Uncategorized

  • আত্রেয়ী নদীতে ডুবে মৃত্যু যুবকের

    বিশ্ব সমাচার, বালুরঘাট: প্রায় 16 থেকে 17 ঘণ্টা পর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল ৩২ বছরের গোবিন্দ হাজরাকে। মৃতের বাড়ি বালুরঘাট থানার আত্রাই কলোনি এলাকায়। জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেল ৪টা নাগাদ বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদী হেঁটে পাড় হতে গিয়ে গোবিন্দ খাঁড়ির জলে তলিয়ে যান। বালুরঘাট থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। খুঁজে না পেয়ে সোমবার সকালে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডুবুরি নামিয়ে গোবিন্দকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই যুবককে ময়না তদন্তের জন্য দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা হাস্পাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মদ্যপ অবস্থায় নদীতে নামায় নিজেকে সামলাতে না পেরে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে গোবিন্দ হাজরার।

  • দেশ ছাড়ার শেষ চেষ্টা, বিমানে উঠতে মরিয়া আফগান নাগরিকদের

    সংবাদ সংস্থাঃ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রবিবার কাবুলও দখল করে তালিবান।এই আবহে রবিবার সারাদিন ধরেই আতঙ্কের মধ্যে কাটিয়েছেন বেশিরভাগ আফগানরা। রাষ্ট্রপতি প্রাসাদও ইতিমধ্যেই তাদের দখলে গিয়েছে। দেশ ছেড়ে অন্যত্র গিয়েছে পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি আশরাফ গনি। ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তালিবান।তালিবানি রেডিও সম্প্রচার শুরু হয়েছে কাবুল সহ বিভিন্ন জায়গায়। সরকারি রেডিও স্টেশনগুলি দখল করে সেগুলিতে নিজেদের মতো প্রোগ্রাম সঞ্চালান শুরু করেছে।

    জানা গিয়েছে, তালিবানের তরফে বলা হয়েছিল যে মেয়েদের স্কুল, কলেজে যেতে দেওয়া হবে। তবে বিবিসি সূত্রে খবর, হেমলমন্দের মতো তালিবান নিয়ন্ত্রিত এলাকাতে নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে সেখানে মেয়েদজের যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। তালিবানরা মুখে নারী শিক্ষা ও স্বাধীনতার কথা বললেও কান্দাহার, হেরাত শহর দখলের পরই বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাবালিকা মেয়েদের বিয়ের ও যৌনদাসী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। আঁটসাঁট পোশাক পরার অপরাধে প্রকাশ্যে এক মহিলাকে খুন করা হয়। অতীতের স্মৃতি মনে করেই তালিবানদের উপর ভরসা করতে পারছেন না আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ।

    সোমবার সকাল হতেই পথে নামে সাধারণ মানুষ। সীমান্তগুলি তালিবানের দখলে থাকায় তাদের গন্তব্য কাবুল বিমানবন্দর। আতঙ্কে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ কাবুলবাসী। যাদের সামর্থ আছে তারা বিমানবন্দরে গিয়ে দেশ ছাড়াড় শেষ চেষ্টা চালাচ্ছে। যে যেদিকে পারছেন, উর্ধ্বশ্বাসে ছুটছেন। পিছন থেকে তখনও আসছে গুলির শব্দ। তালিবানদের দখলে চলে যাওয়ার পর এটাই বাস্তব চিত্র কাবুলের।

  • উত্তরবঙ্গের দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিয়ে আশীর্বাদ যাত্রা করবে গেরুয়া শিবির

    স্টাফ রিপোর্টার : উত্তরবঙ্গের দুই কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে আশীর্বাদ যাত্রা করবে বিজেপি । কোচবিহারের সাংসদ তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও আলিপুরদুয়ারের সাংসদ তথা সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জন বার্লা নেতৃত্ব দেবেন আশীর্বাদ যাত্রার রোড শোয়ে ৷

    ১৭ আগস্ট থেকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্র সহ অন্যান্য লোকসভা কেন্দ্রেও আশীর্বাদ যাত্রা করবে বিজেপি । আমজনতার আশীর্বাদ নিতে লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে ঘুরবেন মন্ত্রীরা । জন বার্লাকে নিয়ে ১৭ আগস্ট মালবাজারে সংবর্ধনা দেওয়া হবে । তারপর মালবাজার থেকে চালসা হয়ে ময়নাগুড়িতে যাবেন মন্ত্রী । শেষে ময়নাগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি শহরে আসবেন মন্ত্রী ।

    জলপাইগুড়ি শহরে সংবর্ধনার পরে জন বার্লাকে নিয়ে যাওয়া হবে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের মেখলিগঞ্জে ।অন্যদিকে, নিশীথ প্রামাণিক নকশালবাড়ি, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি সহ জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কোচবিহার যাবেন । মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সাংসদ জন বার্লা যে জেলায় আসবেন, তা ইতিমধ্যেই পুলিশ সুপারের কাছে জানিয়ে রাখা হয়েছে ৷

  • শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের জন্য ভ্যাকসিন বা নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক

    স্টাফ রিপোর্টারঃ কোভিডের তৃতীয় ঢেউ সামাল দিতে পর্যটকদের উপর কড়া নজর দিচ্ছে বীরভূম জেলা প্রশাসন। শান্তিনিকেতনে আগত পর্যটকদের ভ্যাকসিনের দু‘টি ডোজ অথবা আরটিপিসিআর টেস্ট রিপোর্ট বাধ্যতামূলক করা হল৷ বৃহস্পতিবার হোটেল-রিসর্ট মালিকদের নিয়ে একটি বৈঠক করে একথা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় প্রশাসনের তরফে৷

    করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে দেশে৷ এই নিয়ে বারবার সাবধানও করছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা৷ অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো পর্যটন শিল্প যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে প্রশাসনকে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে৷

  • দুই সন্তানকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে দাস পরিবার

    বিশ্ব সমাচার, নামখানা : দুই ভাই। বড় ৩৫ বছরের সৈকত দাস। আর ছোট হলেন ২৮ বছরের সৌরভ। নামখানার দশমাইল থেকে বকখালি যাওয়ার পথে দেবনিবাস গ্রামের বাসিন্দা তাঁরা। বুধবারের অভিশপ্ত এফ.বি. হৈমবতী ট্রলার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সৈকত ও সৌরভের। বুধবার গভীর রাতে ফ্রেজারগঞ্জের বালিয়াড়ায় ট্রলারের কেবিন থেকে দুই ভাইয়ের নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    রাতেই দেহ দুটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকদ্বীপের লাশ কাটা ঘরে। সেদিন থেকে দেবনগর গ্রামের দাস পরিবারের বাড়ি জুড়ে শুধুই হাহাকার আর আর্তনাদ। ময়নাতদন্তের পর রাতে মৃত ৯ জন মৎস্যজীবীর সঙ্গে ফেরে দুই ভাইয়ের দেহ। গ্রামের মানুষের ঢল নামে দাস বাড়ির সামনে। এখন দাস বাড়িতে শুধুই শোনা যায় সৈকত ও সৌরভের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের আর্তনাদ।

    দুই সন্তানকে হারিয়ে পিতা ও মাতা আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে লড়াই করে দুই সন্তানকে বড় করেছেন গোপালবাবু। এখন তিনি অবসর নিয়েছেন। তাঁর ভরসা ছিল এই দুই সন্তানের ওপর। ছেলেদের পড়াশোনাও করিয়েছেন। কিন্তু মাধ্যমিক পাশের পর টানাটানির সংসারে আর দুই সন্তানকে পড়ানো সম্ভব হয়নি। অভাবের সংসারের হাল ধরতে ট্রলারের কাজ নেয় দুই ভাই। নিয়মিত দুই ভাই ট্রলারে মাছ ধরার কাজও করেন। তবে সৈকত বছর দুই আগে পেশা বদল করেছিলেন।

    ট্রলারের কাজ ছেড়ে অন্য কাজ করতেন। দু’বছর সেই কাজও করেছেন। কিন্তু টানা লজডাউনের জেরে সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অগত্যা এই বছর ট্রলারে রান্নার কাজের জন্য তাঁকে ছোট ভাই নিয়ে গিয়ে ছিলেন। টানা ৬ বছর এফ.বি. হৈমবতী ট্রলারে কাজ করেন সৌরভ। ভাই আর দাদা একই ট্রলারে চেপে গত সোমবার গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন। মাছ ধরে ফেরার পথে ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সৈকত বছর আটেক আগে বিয়ে করেছেন। এক মাত্র মেয়ের বয়স এখন সাড়ে ৬ বছর।

    স্বামীর মৃত্যুতে আজ বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন স্ত্রীও। ছোট্ট মেয়ে বাবার মৃত্যু সংবাদ শোনার পর মা ছাড়া হয়নি। মায়ের কান্না দেখে এক রত্তি মেয়ের চোখও জলে ভরা। বাবা গোপাল দাস বৃহস্পতিবার দুপুরে নামখানা বিডিও অফিস থেকে দুই ছেলের নামে চার লক্ষ টাকার চেক নিতে এসেছিলেন।

    প্রশাসনিক আধিকারিক দুই ছেলের নাম ডাকার পর, অশক্ত শরীর নিয়ে এগিয়ে যান বৃদ্ধ পিতা। দুটি চেক যত্নে রাখার পরামর্শ দেন প্রতিবশী ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তখন বৃদ্ধ পিতা বিড় বিড় করে মনে মনে বলতে থাকেন, দুই অবলম্বনই যখন চলে গেল, তখন টাকায় আর কি হবে?

  • ১৮ অগাস্ট থেকে শুরু হচ্ছে কলকাতা ফুটবল লিগ

    স্টাফ রিপোর্টার : ১৮ অগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ। এ বার লিগ ও নক আউট পদ্ধতিতে হবে এই প্রতিযোগিতা। মূলত এটিকে মোহনবাগানের এএফসি কাপের খেলা থাকার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এবারের লিগে অবনমন থাকছে না। বৃহস্পতিবার আইএফএ-র সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কলকাতা লিগ হচ্ছেই।

    তবে দর্শকশুন্য গ্যালারিতে হবে খেলা।তবে কী ভাবে গোটা প্রতিযোগিতা হবে, তা চূড়ান্ত হবে শুক্রবার সাব কমিটির সভায়। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমরা খসড়া তৈরি করেছি। শুক্রবার লিগ সাব কমিটির সভায় গোটা বিষয়টা ঠিক হবে। আগে খেলা চালু হোক। তার পর বাকি বিষয়ে ভাবা যাবে। খেলা চালু না হলে স্পনসর পাওয়া যাবে না।

    খুব সমস্যা হবে আইএফএ চালাতে। তার পাশাপাশি ফুটবলারদের কথাও আমাদের ভাবতে হবে।বৃহস্পতিবারের বৈঠকে অবশ্য উপস্থিত ছিলেন না এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোনও কর্তাই। বাকি সব ক্লাবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে সভায় ছিলেন দেবাশিস দত্ত।

    মহমেডানের পক্ষে ছিলেন মহম্মদ কামারুদ্দিন।বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন ক্লাবের কর্তারা।এ বারের লিগে কমতে চলেছে বিদেশির সংখ্যা। আগে ৪ বিদেশি দলে থাকলেও ৩ জন প্রথম একাদশে জায়গা পেতেন। এবার ৩ বিদেশি সই করানো যাবে, আর প্রথম একাদশে থাকতে পারবেন ২ জন।

  • মূল্যায়ন কীভাবে? ঘোষণা করল অসম সরকার

    সংবাদ সংস্থাঃ আগেই বাতিল হয়ে গিয়েছে পরীক্ষা। এবার দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ঘোষণা করল অসম সরকার। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী রনোজ পেগু জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও পূর্ববর্তী পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে।

    অসমের মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (সেবা) এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (এএইচএসইসি) আধিকারিকদের উপস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও পূর্ববর্তী পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে দুটি শ্রেণির (বোর্ড পরীক্ষার) পড়ুয়াদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

    শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্বাদশ শ্রেণির যে পড়ুয়াদের প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা ছিল, তাঁদের দশম শ্রেণির সেরা তিনটি বিষয়ের ৫০ শতাংশ নম্বর, দ্বাদশ শ্রেণির প্র্যাকটিকালের ৩০ শতাংশ নম্বর, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে ১০ শতাংশ নম্বর এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির উপস্থিতির ভিত্তিতে ১০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে।

    কলা এবং বাণিজ্য শাখার (যাঁদের প্র্যাকটিকাল নেই), তাঁদের দশম শ্রেণির সেরা তিনটি বিষয়ের ৫০ শতাংশ নম্বর, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৪০ শতাংশ নম্বর এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির উপস্থিতির ভিত্তিতে ১০ শতাংশ নম্বর দেবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে যে পড়ুয়ারা মূল্যায়ন পরীক্ষায় সন্তুষ্ট হবে না, তারা পরীক্ষায় দিতে পারবেন।

    আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বা করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, দশম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের নবম শ্রেণির পরীক্ষার ভিত্তিতে ৪০ শতাংশ নম্বর, দশম শ্রেণির  অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে ৪০ শতাংশ নম্বর এবং স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে ২০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে।

    এবার করোনা পরিস্থিতিতে টেস্ট পরীক্ষা হয়নি। তাএ সেক্ষেত্রে নবম শ্রেণির পরীক্ষার ৭০ শতাংশ নম্বর এবং উপস্থিতির ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ নম্বর দেবে সংশ্লিষ্ট স্কুল। সেইসঙ্গে অসম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যে বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়ারা বিভিন্ন কারণে পরীক্ষায় বসতে পারেননি, সংশ্লিষ্ট স্কুলই তাদের মূল্যায়ন করবে।

  • বিধানসভায় হাজির থেকেও সর্বদল বৈঠক এড়ালেন শুভেন্দু

    স্টাফ রিপোর্টারঃ নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্য বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। আসন্ন অধিবেশনের আগে সোমবার সর্বদল বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। বিরোধী বলতে শুধুই ৭৫ জন বিজেপি বিধায়ক এবং এক আইএসএফ বিধায়ক। বিজেপি বিধায়করা সকলেই সর্বদল বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিধানসভায় উপস্থিত থাকলেও সর্বদল বৈঠক এড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, সোমবারের সর্বদল বৈঠকে শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে আগেই জলঘোলা হচ্ছিল। তিনি অংশ নিতে নাও পারেন, এমন গুঞ্জন উঠেছিল। তবে সোমবার সকালে দেখা গেল, বিধানসভায় এসেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    সর্বদলের আগে বিজেপি পরিষদীয় দল তাঁর নেতৃত্বেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসে। সূত্রের খবর, আসন্ন অধিবেশনে ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে বিজেপি সরব হবে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে, তেমনই স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা হয়েছে। বিধানসভায় হাজির রয়েছেন মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিধায়ক। আগে মনোজ টিগ্গাই ছিলেন বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা।

    কিন্তু পরিষদীয় দলের বৈঠকের পর আর দেখা যায়নি শুভেন্দুকে। তিনি সর্বদল বৈঠকেও ছিলেন না। সর্বদলের পর অধিবেশনের চূড়ান্ত কার্যপদ্ধতি স্থির করতে এদিন দ্বিতীয়ার্ধে যে বিএ কমিটির বৈঠক রয়েছে, তাতেও বিরোধী দলনেতা থাকবেন না বলে প্রথমে মনে করা হয়েছিল। তবে বৈঠক শেষে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সবাই। তবে তিনি এও বলেন যে সর্বদল বৈঠকে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কাম্য ছিল। তিনি থাকলে ভাল হতো।

    কারণ, এই বৈঠকেই বিধান পরিষদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কেন এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েও শুভেন্দুর সর্বদল বৈঠক এড়িয়ে যাওয়া? তা নিয়ে অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছে। এদিন সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র বিধায়ক ভাঙড়ের নওশাদ সিদ্দিকী সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ পাননি। তার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি স্পিকারকে চিঠি পাঠাচ্ছেন বলে খবর। এটা অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ, দাবি নওশাদের।

  • পাথরপ্রতিমায় দুর্গতদের পাশে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে খিলাফত কমিটি

    রবীন্দ্রনাথ সামন্ত, পাথরপ্রতিমা: সোমবার ত্রাণসামগ্রী নিয়ে পাথরপ্রতিমার বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াল কলকাতা খিলাফত কমিটি। মন্ত্রী জাভেদ খান নিয়ন্ত্রিত ওই কমিটির ২৪ জন এসেছিলেন ত্রাণ নিয়ে।

    প্রায় ৮০০ জন বন্যাদুর্গতকে এদিন ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ রায়পুর, রামগঙ্গা শাপখালি এবং শ্রীধর নগরের বন্যাদুর্গতদের এদিন ত্রিপল, চাল, ডাল সহ অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন বিধায়ক সমীরকুমার জানা।

    ত্রাণ পেয়ে বন্যাদুর্গতরা খুশি হয়েছেন।

  • দ্বাদশের পরীক্ষা নিয়ে সিবিএসই, সিআইএসসিই-র সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয় : সুপ্রিম কোর্ট

    সংবাদ সংস্থাঃ সিবিএসই বা সিআইএসসিইয়ের পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করা হবে না। মঙ্গলবার এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণির বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে একাধিক আবেদন দাখিল করা হয়েছিল, তাও খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, বিভিন্ন বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বিবেচনা করে দেখবে না সুপ্রিম কোর্ট।

    সংশ্লিষ্ট বোর্ড নিজেদের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। পাশাপাশি বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত একটা ঘোষণা বজায় রাখতে হবে। কারণ অনিশ্চয়তার ফলে পড়ুয়ার মনে প্রভাব পড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়, ‘আমরা কি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পালটে দিয়ে ২০ লাখ পড়ুয়াকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেব?’ চলতি মাসের গোড়ার দিকেই দ্বাদশ শ্রেণি পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছে সিবিএসই বা সিআইএসসিই। ইতিমধ্যে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি আদালতে জমা দিয়েছে দুই বোর্ড। যা বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। দুই বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে।

    সিবিএসই আবার জানিয়েছে, ফলাফল প্রকাশের পর যে পড়ুয়ারা সন্তুষ্ট হবেন না, তাঁরা ঐচ্ছিক পরীক্ষার জন্য অনলাইনে নথিভুূক্ত করতে পারবেন। যে পড়ুয়ারা সেই ঐচ্ছিক পরীক্ষায় বসবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ১৫ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শুধুমাত্র মূল বিষয়গুলির পরীক্ষা নেওয়া হবে।

Back to top button