15 Jun 2021, 3:42 AM (GMT)

Coronavirus Stats

29,617,058 Total Cases
377,061 Death Cases
28,345,261 Recovered Cases

Uncategorized

  • তৃণমূলের করা এফআইআর খারিজ করার দাবিতে হাই কোর্টে দ্বারস্থ মিঠুন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ ভোটপ্রচারে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির তারকা সদস্য মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। ৬ মে মানিকতলা থানায় মিঠুনের বিরুদ্ধে আভিযোগ নথিভুক্ত করেছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এবার সেই মামলা খারিজ করার আবেদন জানিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি।

    শোনা গিয়েছে, হাই কোর্টে মিঠুন জানিয়েছেন উপস্থিত জনতার দাবিতেই সিনেমার সংলাপ বলেছিলেন। এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    মিঠুনের পালটা অভিযোগ, রাজনৈতির স্বার্থ চরিতার্থ করতেই তাঁর বিরুদ্ধে ভোটপ্রচারে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই কারণেই উচ্চ আদালতে তিনি তৃণমূলের অভিযোগ খারিজ করার আবেদন জানিয়েছেন।

  • কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন পার্লার ও যশে বিধ্বস্ত অসহায় মানুষের পাশে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা

    নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: করোনায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ালেন প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পাশপাশি তাঁরা যশে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে ত্রাণ বণ্টনে উদ্যোগী হয়েছেন।আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মুক্তি’ এবং রাজ্যের সরকার পোষিত ও অনূদিত মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়-মাদ্রাসা সমূহের কেবল প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বারা গঠিত ‘অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস,(এএসএফএইচএম)- এর যৌথ উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গড়ে উঠেছে ‘অক্সিজেন পার্লার’।

    বিশেষভাবে নির্মিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেনকে পৃথক করে মুমূর্ষু রোগীর জীবন ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এএসএফএইচএম-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দনকুমার মাইতি এবং ‘মুক্তি’-র কর্ণধার শঙ্কর হালদারের মস্তিষ্কপ্রসূত এই কাজ সারা রাজ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    অর্থ সংস্থানের ব্যাপারে সাহায্য ও কর্মচারীদের দিবারাত্রি অক্লান্ত পরিশ্রমকে সম্মান জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মুক্তি’-কে কুর্নিশ করতে দ্বিধাবোধ করেননি চন্দন কুমার মাইতি (৮০০১৬৭৯৩৬৮), যিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর ব্লকের পাঁচটি হস্টেল যুক্ত কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়েও সারা বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে ব্রতী থাকেন।

    চন্দনবাবু বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মুক্তি’র সহযোগিতায় সারা রাজ্যের ৭০টির বেশি অকক্সিজেন-পার্লারে শতাধিক প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রত্যক্ষ ভাবে সামনে থেকে দাঁড়িয়ে প্রকৃত করোনা যোদ্ধার কাজ করছেন।এএসএফএইচএম -এর ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর তথা সোনারপুরের খেয়াদহ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আলতাফ সেখ (৯৯০৩৭৭৬২০৭) সারা রাজ্যের এই অক্সিজেন পার্লার স্থাপনের কাজ তদারকি করছেন।

    তিনি বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে প্রায় প্রতিদিন করোনার ভ্রুকুটিকে উপেক্ষা করে কলকাতা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গাড়িতে করে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, অক্সিমিটার, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, এন-৯৫ মাস্ক ইত্যাদি অত্যাবশ্যক সামগ্রীসহ বন্যার ত্রাণসামগ্রী বেবি ফুড, গবাদিপশুর খাদ্য, ত্রিপল, ব্লিচিং পাউডার, চুন, ড্রাই ফুড, ন্যাপকিন প্রভৃতি বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়েছেন এবং এখনও পাঠাচ্ছেন।

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার মাইতি, রাজ্য সভাপতি তথা হলদিয়া বিবেকানন্দ গভর্নমেন্ট স্পন্সরড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. হরিদাস ঘটক (৯৪৩৪১৪৬৩১৩), আলতাফ শেখ এবং মুক্তির কর্ণধার বিশিষ্ট সমাজসেবী শংকর হালদাররা (৯০৫১১১২৬৯৪) রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অক্সিজেন-পার্লার সংক্রান্ত গাইডলাইন সরবরাহ করছেন এবং প্রতিদিনের কাজ তদারকি করছেন।

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কনসেন্ট্রেটর পৌঁছে দেওয়ার জন্য উত্তর দিনাজপুরের রাহাতপুর হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক সদ্য করোনা থেকে মুক্ত হয়ে ওঠা শাহিদুর রহমান (৯৭৩২১৩০৫৮৭) বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। উঃ ২৪ পরগনার বারাসত ও বসিরহাটে উদয়রাজপুর হরিহরপুর হাই স্কুলের অশোককুমার সরকার ও নুরপুর পঞ্চানন পাইক স্মৃতি বিদ্যালয়ের সমীরকুমার ঘোষ সহ অন্যদের নেতৃত্বে ছ’টি অক্সিজেন পার্লারের মাধ্যমে বহু রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে ও হচ্ছে।

    কোচবিহারের চকচকা হাই স্কুলের দেবাশিস পাল (৭৯০৮৩৭৮৯১৪) ও উপাসন আচার্য, ঝাড়গ্রামের তপনকুমার দে (৯৯৩৩০৩১৭২২) ও দাহিজুড়ি মহাত্ম বিদ্যাপীঠের মৃন্ময় হোতা, নদীয়ার দিঘলগ্রাম নেতাজি বিদ্যাপীঠের শান্তনু মণ্ডল (৯৭৩৩৭৫৪৮৩৮) ও ধনিচা হাই স্কুলের ড.পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী, কলকাতার বিজয়গড় বিদ্যাপীঠের তাপসকুমার দে (৯৪৩৩৫০৫৯১৫) ও ড. মানস কুমার পতি (৯৪৩৪৫১৭২৩০)

    ,

    মুর্শিদাবাদের সর্বাঙ্গাপুর জেকেএস এ-এর নিমাই পাল (৯৭৩২৮৭০১৬৪) ও মির্জাপুর ডি পি স্কুলের বিরাট বন্দোপাধ্যায়, হাওড়ার বেলুডুবি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল্লব মুখোপাধ্যায় (৮৭৭৭৩৮৫৪৩৯8), মাকুয়া মডেল হাই স্কুলের প্রবাল নস্কর ও করোনা জয়ী যদুবেড়িয়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিষ্ঠা ঘোষ (৮০১৭৯৮৫৯৬৬8), মালদার প্রণব রায় (৭৯০৮১৪৩৪৩৯) ও প্রবীর চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ির সাহুডাঙ্গী হাট কেপি রায় হাই স্কুলের প্রদীপ চৌধুরী (৮৯১৮৪৬৪১০৭) ও মুদিপাড়া নগেন্দ্রনাথ হাই স্কুলের প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী, দক্ষিণ দিনাজপুরের মৃণাল কর্মকার (৯৭৭৫৮৩২১৯১)

    ও অজয়কুমার রায় (৯৪৭৪৩১১৭৮৮), আলিপুরদুয়ারের শিশুবাড়ি হাই স্কুলের মানস ভট্টাচার্য (৯০৬৪৭২৫৯০৮), পূর্ব বর্ধমানের গোলগ্রাম গোলাম ইনাম হাই স্কুলের কৌশিক চট্টোপাধ্যায় (৮৬৩৭০৬৭৪৫১), স্বপনকান্তি চৌধুরী, আজিজুল হক, বীরভূমের বঙ্গছত্র লবঙ্গ লতিকা হাই স্কুলের জগবন্ধু রায় (৭৯০১৮৬০৭১৯), বাঁকুড়ার মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাধনকুমার ঘোষ (৯৪৭৪৮০১৪৭০) সহ আরও বহু প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার সাহায্যে ১৭টি জেলায় ৭০টির বেশি অক্সিজেন পার্লার বহু মানুষের জীবন বাঁচাতে শুরু করেছে।

    এ বিষয়ে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় সাংসদ, বিধায়ক, মহকুমা শাসক, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, পঞ্চায়েত বা পুরপ্রধান, ক্লাব, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক অভিভাবিকাদের নিয়ে গঠিত সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমাজসেবী, বিশিষ্ট মানুষজন সহ শত শত প্রধান শিক্ষকা-শিক্ষিকারা।যশের দাপটে বন্যা কবলিত এলাকায় বিনামূল্যে ওষুধ সহ স্বাস্থ্য শিবির শুরু হয়েছে। পাম্পের সাহায্যে পুকুর থেকে নোনা জল তুলে ফেলা হচ্ছে। পানীয় জল সরবরাহ করা, কমিউনিটি কিচেন থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর— এই চার জেলায় দৈনিক ২০ হাজার জনকে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে।

    দ : ২৪ পরগনায় সাধারণ সম্পাদক চন্দনকুমার মাইতি নিজেই কাকদ্বীপ এবং ডায়মন্ড হারবার মহকুমায় কাজ তদারকি করছেন। সঙ্গে আছেন গাজির মহল জিসি হাই স্কুলের শোভন দানিয়াড়ি, হরিপুর গদাধর হাই স্কুলের ইন্দ্রনীল প্রধান সহ আরও অনেক প্রধান শিক্ষক। ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর আলতাফ সেখ, বাসন্তীর নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দিরের দীপককুমার কর, ফুলমালঞ্চ ঋতু ভকত হাই স্কুলের অম্বরীশকুমার দত্ত, সোনারপুর চৌহাটি হাই স্কুলের সঞ্জয়কুমার নস্কর, অনুপ মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেক প্রধান শিক্ষক ক্যানিং ও বারুইপুর মহকুমার দায়িত্বে আছেন।

    আলিপুর মহকুমার চটা সুবিদলী গার্লস হাই স্কুলের অঞ্জনা ঘোষাল, মহেশতলার নব্যেন্দু চক্রবর্তী প্রমুখ। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার আতপুর থেকে শুরু করে হিঙ্গলগঞ্জ প্রভৃতি জায়গায় এই বিষয়ে ‘মুক্তি’ এবং এএসএফএইচএম-এর যৌথ উদ্যোগে কাজ করে চলেছে।
    এএসএফএইচএম-এর রাজ্য সভাপতি ড: হরিদাস ঘটক পূর্ব মেদিনীপুরের পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সঙ্গে আছেন জেলা সম্পাদক অনুপম বিশ্বাস (৭৯০৮৪৯৪১৩৩), নন্দীগ্রামের মোনালিসা মাইতি এবং কাঁথিতে ইন্দ্রাণী শাসমল, গৌরহরি পাল, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার খুকুড়দহ ঈশ্বরচন্দ্র মাঝি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভূপাল প্রসাদ চক্রবর্তী (৯৪৩৪৮০১৪৭০), অমিতেশ চৌধুরী, যুগল প্রধান প্রমুখ।

  • করোনা আবহে মধ্যপ্রদেশে ইস্তফা দিলেন ৩০০০ জুনিয়র ডাক্তার

    সংবাদ সংস্থা : কোভিডে আক্রান্ত হলে তাঁদের ও পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া,বৃত্তি বাড়ানো-সহ একাধিক দাবিতে মধ্যপ্রদেশে জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলনে নেমেছেন। দাবি আদায়ে তাঁরা ধর্মঘট করেছেন। মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট বৃহস্পতিবার ধর্মঘটী জুনিয়র ডাক্তারদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে ফিরতে নির্দেশ দেয়।

    এ ছাড়াও আদালত চার দিনের এই ধর্মঘটকে ‘অবৈধ’ বলেও ঘোষণা করে। তবে সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কাজে ফিরতে অস্বীকার করেছেন ডাক্তাররা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ হাজার জুনিয়র ডাক্তার পদত্যাগ করেছেন। তাঁরা ঘোষণা করেছেন যে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

    মধ্যপ্রদেশ জুনিয়র ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরবিন্দ মীনা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাজ্যের ৬টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার জুনিয়র ডাক্তার পদত্যাগ করেছেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলেও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাব।’

    ’ মীনা জানান, রাজস্থান, বিহার, ছত্তীসগঢ়, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, তেলঙ্গানা, বিহার, মহারাষ্ট্র ও এমস ঋষিকেশের জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকরা তাঁদের ধর্মঘটে সমর্থন জানিয়েছেন।
    মধ্যপ্রদেশ সরকার জুনিয়র ডাক্তারদের বৃত্তি ১৭ শতাংশ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।

    যদিও ডাক্তারদের দাবি ২৪ শতাংশ বাড়াতে হবে৷ পাশাপাশি গত ৬ মে মধ্যপ্রদেশ সরকার তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিল‌েও শেষ পর্য‌ন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাই এই ধর্মঘট। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে বলে জানিয়েছেন অরবিন্দ মীনা।

  • মৌসুনি দ্বীপে স্থায়ী নদীবাঁধের দাবিতে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ

    অমিত মণ্ডল ও রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, মৌসুনি: স্থায়ী নদীবাঁধের দাবিতে মৌসুনি দ্বীপের চিনাই ও বটতলা নদীবাঁধের উপর দাঁড়িয়ে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী শুক্রবার দুপুরে বিক্ষোভ দেখান। প্রতি বছর নদীবাঁধের কাজ হলেও তা স্থায়ীভাবে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁদের।

    মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। চারদিক নদী দিয়ে ঘেরা এই দ্বীপটি। বিভিন্ন নদী যেন দ্বীপটিকে গিলে খেতে ওত পেতে বসে রয়েছে। বাঁধে আঘাত হানছে বঙ্গোপসাগরের ঢেউ। সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা প্রতিবছরই স্থায়ী নদীবাঁধ তৈরির আশ্বাস দিয়ে যান।

    কিন্তু তা হচ্ছে না বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। আয়লার পরে নদীবাঁধের অনেকটা কাজ হলেও তা নিম্নমানের বলে জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। প্রতি বছর কোটালের জলে বাঁধগুলি দুর্বল হয়েছে।এবার ঘূর্ণিঝড় যশে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় নদীবাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢোকে।

    শুক্রবার নামখানার মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বালিয়ারা গ্রামে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী বিক্ষোভ দেখান স্থায়ী নদীবাঁধের দাবিতে।

  • পুলওয়ামায় জঙ্গি হানা, গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা

    সংবাদ সংস্থা: উপত্যকায় ফের খুন বিজেপি নেতা । দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হলেন বিজেপি নেতা রাকেশ পণ্ডিতিয়া । গুলি লাগার পর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

    চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার ত্রাল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এই বিজেপি কাউন্সিলর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধেয় ত্রালের পাইন এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন রাকেশ। বন্ধুর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার একটি বাজারে গিয়েছিলেন ওই বিজেপি নেতা।

    রাকেশ পণ্ডিতিয়ার গতিবিধির উপর আগে থেকেই নজর রেখেছিল জঙ্গিরা।বাজারে পৌঁছতেই তাঁকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি করতে শুরু করে জঙ্গিরা। গুলি ছিটকে লাগে তাঁর বন্ধুর মেয়ের পায়েও। দু’জনেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় বিজেপি নেতাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    অন্যদিকে, গুলিবিদ্ধ ওই তরুণীকে পরে পুলওয়ামা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আপাতত সেই হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন ওই তরুণী।এদিকে, এই ঘটনার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ।

    এলাকাজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনায় যুক্ত কোনও জঙ্গিকেই ধরতে পারেনি সেনা-পুলিশ।এখনও পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি কোনও জঙ্গি সংগঠন ।

  • কতদূরে “যশ”, কখন পড়বে আছড়ে, জানিয়ে দিল আবহাওয়া দপ্তর

  • আগুন লেগে পুড়ে গেল একটি ট্রলার

    বিশ্ব সমাচার, কাকদ্বীপ : সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী ১৫ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে বন্ধ থাকবে মৎস্য শিকার। সমুদ্রে মৎস্য শিকারে যাওয়ার আগে নদীর পাড়ে রেখে ট্রলার গুলির মেরামত করা হয়। আর এই মেরামত করার সময় হঠাৎই আগুন লেগে গেল একটি ট্রলারে।

    ঘটনাটি ঘটেছে, রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপের মৎস্য বন্দর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে হঠাৎই একটি ট্রলারে আগুন লেগে যায়। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় মৎস্য বন্দর। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা বালতিতে করে জল নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান।

    খবর দেওয়া হয় হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানায় ও দমকল বিভাগে। সঙ্গে সঙ্গে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, ওই সময় ট্রলারে ওয়েলিং এর কাজ করা হচ্ছিল। ওয়েলিং করার সময় আগুনের ফুলকি থেকে ট্রলারটিতে আগুন লেগে যায়। সেই সময় ট্রলারের কাছাকাছি প্রচুর দাহ্য পদার্থ ছিল।

    এমনকি আগুন লেগে যাওয়া ট্রলারের পাশাপাশি আরও অনেকগুলি ট্রলারও দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের ও দমকল বিভাগের তৎপরতায় আগুন কিছু সময় পরই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

  • ‘বড় বড় ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী’: হু

    বিশ্ব সমাচারের ওয়েবডেস্কঃ প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে। দূরত্ব বিধি তো মানা হয়ইনি, উলটে বড়বড় রাজনৈতিক তথা ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে এদেশে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে।

    খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এ হেন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো ‘সুপার স্প্রেডার’ ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা, এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এবার এগুলিকেই ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে হু জানতে পেরেছে যে, ভারতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে।

    এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বড় বড় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় জমায়েত। বিশেষ করে, এই জমায়েতগুলিতে ন্যুনতম কোনওরকম দূরত্ববিধি না মানার জন্য বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি। তবে, এই সমাবেশগুলির জন্য ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

  • আইপিএল শুরু হলেও মর্গানদের পাবে না নাইট শিবির

    সংবাদ সংস্থা : করোনার কারণে স্থগিত আইপিএল আবার শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে পুনরায় এই প্রতিযোগিতা শুরু হলেও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ড বোর্ডের কর্তা অ্যাশলে জাইলস।এবারের আইপিএল-এর জন্য নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ছাড় দেওয়া হয়েছিল ইংরেজ ক্রিকেটারদের। কিন্তু ভবিষ্যতে এই ছাড় আর দেওয়া হবে না।

    তাতে প্রভাব পড়তে পারে ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিত হতে চলা বিভিন্ন সফরে। জাইলস বলেন, ‘‘আমাদের ভবিষ্যতের সূচি তৈরি করা আছে। আমরা সমস্ত ম্যাচেই সেরা দল ধরে রাখতে চাই। আমরা জানি না নতুন করে আইপিএল শুরু হলে তা কেমন হবে বা কবে কোথায় হবে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের পর থেকেই জাতীয় দলের পরপর খেলা থাকবে। টি২০ বিশ্বকাপ, অ্যাসেজ সিরিজ আছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সফরও হওয়ার কথা রয়েছে।

    আমাদের ক্রিকেটারদের স্বার্থ আমাদের দেখতেই হবে।’’ সেপ্টেম্বরে আইপিএল ফের শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইংল্যান্ড বোর্ডের ঘোষণার পর এই প্রতিযোগিতা হওয়া নিয়ে সংশয় বেড়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে। ২০২২ সালে ঠাসা ক্রীড়াসূচি রয়েছে ইংল্যান্ডের। নিউজিল্যান্ড, ভারতের বিরুদ্ধে খেলার পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফরে যাবে তাঁরা। এরপর টি২০ বিশ্বকাপ ও অ্যাসেজ সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড।

  • সপ্তাহ জুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ভাসবে উত্তর ও পূর্ব ভারত

    স্টাফ রিপোর্টার : দক্ষিণ, উত্তর এবং পূর্ব ভারত জুড়ে সপ্তাহ ভর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। উত্তরপ্রদেশের উপর তৈরি হওয়া এক ঘূর্ণাবর্তের জেরে এই বর্ষণ হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এছাড়া উত্তর-পূর্ব ভারতেও এই সময়ে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তী পাঁচদিন বাংলা ছাড়াও সিকিমে বৃষ্টিপাত হবে।

    এদিকে ৫ মে থেকে ৮ মে বৃষ্টি হতে পারে অরুণাচলপ্রদেশে, ৪ মে থেকে শুরু হয়ে ৮ মে পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে অসম ও মেঘালয়ে, ৫, ৬ এবং ৮ মে বৃষ্টি হতে পারে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায়।এছাড়া দক্ষিণে কেরল, মাহে, লক্ষ্মদ্বীপ সহ উপকূলীয় কর্ণাটকে বৃষ্টি হতে পারে আগামী বেশ কয়েকদিন।

    এছাড়া উত্তর-পশ্চিম ভারতেও আগামী কয়েকদিনে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। উত্তরাখণ্ডেও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর।

Back to top button