25 Sep 2021, 5:54 AM (GMT)

Coronavirus Stats

33,624,419 Total Cases
446,690 Death Cases
32,876,319 Recovered Cases

আবহাওয়া

  • অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি, নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্খা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ দক্ষিণের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস৷‌সোমবার কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছিল আংশিক মেঘলা আকাশ। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টিও হয়েছে সব জেলাতে।

    আবহাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। বুধবার তা পূর্ণাঙ্গ নিম্নচাপের রূপ পাবে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। মঙ্গলবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টি বেশি হবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কা।

    অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। ভারী বৃষ্টির সর্তকতা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও নদীয়া জেলায়। শুক্রবার দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি নদীর জল স্তর বাড়তে পারে। কলকাতা সহ বিভিন্ন পুরসভার কিছু এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। অন্যান্য জেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

    অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে মালদা ও উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মঙ্গলবার থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি- এই পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

  • দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে চলেছে গোটা রাজ্যে। শুক্রবার বিকেলে এমনই পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে।

    এরপর বৃষ্টিপাত বাড়বে উত্তরের জেলাগুলিতে। আলিপুর আবহওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের তৈরি হওয়া নিম্নচাপ বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর লাগোয়া উত্তর ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমী অক্ষরেখা চাইবাসা হয়ে নিম্নচাপের স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। নিম্নচাপ ও মৌসুমী অক্ষরেক্ষার জোড়া ফলায় আগামী ২৪ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গে সবজায়গায় বৃষ্টিপাত হবে।

    ভারী বৃষ্টিপাত হবে দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এ ঝাড়গ্রামে। আগামী ২৭ জুলাইয়ের পর ফের দক্ষিণের জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাত বাড়বে। পাল্লা দিয়ে উত্তরবঙ্গে প্রথম ৩ দিন হালকা বৃষ্টিপাত হবে। তারপর থেকে উপরের ৫ টি জেলা, অর্থাৎ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি বাড়বে। দুর্গম আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে মানা করা হয়েছে।

  • রাজ্যজুড়ে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজ্যজুড়ে ফের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস৷ আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ২৩ জুলাই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। এই নিম্নচাপের জেরে পরবর্তী ২ দিন পূর্ব মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ পাশাপাশি পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকবে৷

    আগামী ২৬ জুলাই নাগাদ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে । ২৬, ২৭ এবং ২৮ তারিখ পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত চলবে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী ৪৮ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। তবে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে আকাশ এমনিতেই মেঘলা রয়েছে। কোথাও কোথাও এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে দেখা গিয়েছে।

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিকর গরমের অনুভূতি রয়েছে। নিম্নচাপ তৈরি হলে লাগাতার বৃষ্টি চলবে। ফলে তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে।

  • বজ্রপাতে ৬৮ জনের মৃত্যু উত্তরপ্রদেশ সহ তিন রাজ্যে, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    সংবাদ সংস্থা : উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে রবিবার বাজ পড়ে ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও ১৭ জন গুরুতর আহত। এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে নিজস্বী তুলতে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।উত্তরপ্রদেশেই শুধুমাত্র বজ্রাঘাতে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজস্থানে সংখ্যাটা ২০।

    মধ্যপ্রদেশে বাজ পড়ে সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, ‘রাজস্থানের কিছু এলাকায় বজ্রাঘাতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা।’ রাজস্থানে মৃতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা, তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা।

    জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দু’বার বাজ পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মান সিংহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শোক প্রকাশের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও শোক প্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।

  • ভেসে যাচ্ছে গাড়ি,আছড়ে পড়ছে স্রোত, মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ধর্মশালা

    সংবাদ সংস্থা : টানা প্রবলবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হল হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা। তারইমধ্যে সোমবার সকালে কাংড়া জেলায় হড়পা বানের জেরে পরিস্থিতি আরও সঙ্গীন হয়ে উঠেছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে ধর্মশালার ভাগসু গ্রাম। ভেসে গিয়েছে অসংখ্য গাড়ি। তবে কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

    ম্যাকলয়েডগঞ্জের পুলিশ আধিকারিকের বিপিন চৌধুরীর তোলা ৩৭ সেকেন্ডের ভিডিয়োয় হড়পা বানের বিধ্বংসী রূপ ধরা পড়েছে। সংবাদ সংস্থার তরফে পোস্ট করা সে ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল বেগে শহরের দিকে জলের স্রোত এগিযে আসছে। কয়েকটি গাড়ি এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সম্ভবত হড়পা বানই সেই গাড়িগুলিকে সেখানে ঠেলে দিয়েছে।

    একটি গাড়িকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জলের স্রোত। রীতিমতো হুড়মুড়িয়ে জল ঢুকতে দেখা গিয়েছে। আরও কয়েকটি ভাইরাল ভিডিয়োয় একই ছবি ধরা পড়েছে। কোথাও জলের প্রবল তোড়ে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাড়ি।গত কয়েকদিন পারদ বেশি থাকার পর সোমবার ধরমশালা-সহ হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন প্রান্তে তুমুল বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

    পর্যটকদের পছন্দের ম্যাকলয়েডগঞ্জেও লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। যে সময় পর্যটকরা সেখানে ভিড় জমাচ্ছিলেন। তারইমধ্যে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। বৃষ্টির জেরে শিমলা জেলার রামপুর এলাকা ঝাকরিতে জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গিয়েছে।মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েকদিনে হিমাচল প্রদেশে প্রবল বৃষ্টি হবে।

  • বুধবার থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ রোদের দেখা মিলছে ঠিকই। তবে এখনই পুরোপুরি বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই। অন্ততপক্ষে আলিপুর আবহাওয়ার দপ্তরের পূর্বাভাস তেমনই। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ থেকে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখা বিহার ও উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে বিস্তৃত। বিহার থেকে ওড়িশা পর্যন্ত রয়েছে উত্তর-দক্ষিণ অক্ষরেখা।

    তার প্রভাবে জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টি চলছে। দক্ষিণবঙ্গের আকাশে রোদ-মেঘের লুকোচুরি চলবে। মঙ্গলবার বিক্ষিপ্তভাবে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে। বুধবার থেকে বাড়বে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবারও বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।

    নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম জেলায় মূলত ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। সপ্তাহভর বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গেও। বুধবার দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি।

    বাংলার পাশাপাশি অতি ভারী বৃষ্টি হবে বিহারে। প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা অসম ও মেঘালয়েও। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা ও অরুণাচল প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।

    ভারী বৃষ্টি হবে ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশাতেও। তার ফলে নতুন করে সপ্তাহের মাঝে উত্তরবঙ্গ ও বিহার সংলগ্ন জেলার নদীগুলির জলস্তর বাড়বে। কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

  • রাজ্যে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ সপ্তাহের প্রথম দিন বৃষ্টির পরিমাণ খানিকটা কমলেও বৃষ্টির বিরাম নেই বঙ্গে। মঙ্গলবার থেকে চলতি সপ্তাহে দাপটের সঙ্গেই আরও বৃষ্টি হবে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাজস্থান থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষরেখা।

    এই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবেই প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। সক্রিয় হচ্ছে মৌসুমী বায়ু। আর তার প্রভাবে সপ্তাহজুড়ে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে। মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। বুধবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতায়।

    বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে। বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত হবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে। ইতিমধ্যেই বঙ্গে অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। এবার আরও বৃষ্টি হবে বলেই পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

  • কেরলে ৩ জুন ঢুকছে বর্ষা, বঙ্গে বর্ষা আসতে লাগবে কয়েকটা দিন

    স্টাফ রিপোর্টার : সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। সপ্তাহের শুরুতেই প্রাক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে বাংলার বেশকিছু অংশে। যার জেরে তপ্ত দুপুরের গরম থেকে আপাতত মিলেছে স্বস্তি। তবে এই রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা এখনও বেশকিছু দিন চলবে বঙ্গে। যারফলে বাতাসে অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প থাকায় বাড়বে অস্বস্তি।

    মৌসম ভবন সূত্রে খবর, ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু । আগামী ৩ জুন কেরলে ঢুকছে বর্ষা। ফলে এখন রাজ্যে প্রাক বর্ষা চললেও কেরলে প্রবেশের পর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু কতটা শক্তিশালী থাকে তার উপর নির্ভর করছে এ রাজ্যে বর্ষার পরিমাণ এবং প্রবেশের দিনক্ষণ।

    তবে মৌসম ভবন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মূলত দেশের কেরল উপকূলে প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করে। তারপর এই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এই রাজ্যে প্রবেশ করতে অন্তত সাত থেকে দশদিন সময় লাগে।

    ফলে রাজ্যে এখনই প্রাক বর্ষার বৃষ্টি চললেও বঙ্গে পুরোপুরি বর্ষা ঢুকতে এখনও দশ থেকে বারো দিনের অপেক্ষা করতে হবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

  • ভয়াবহ আকার ধারণ করে গুজরাট উপকূলের পথে ‘সাইক্লোন’ তাওকতে

    স্টাফ রিপোর্টারঃ ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তাওকতে। মৌসম ভবনের তরফে জানান হয়েছে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ এই ঝড় গুজরাট উপকূলে পৌঁছে যাবে। এদিন ভোরে প্রায় ১১৮ থেকে ১৬৬ কিলোমিটার বেগে গুজরাটের ভাওয়ানগর জেলার পোরবন্দরে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে।

    গুজরাট ছাড়াও মহারাষ্ট্র, কেরল কর্ণাটকেও এর তীব্র প্রভাব পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। এই সমস্ত এলাকাগুলিতে প্রশাসনের তরফ থেকে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। সমুদ্রে থাকা মৎসজীবীরাও সংবাদ পেয়ে ফায়ার এসেছে। রবিবার সন্ধ্যে পর্যন্ত গোয়া উপকূলের খুব কাছেই পৌঁছে গিয়েছিল এই ঝড়। তাই বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফ থেকে সমস্ত উদ্ধারকারী বাহিনী তৈরী রাখা হয়। গোয়ার সমুদ্র সৈকত থেকেও পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এদিন কর্ণাটক, কেরল, মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী অঞ্চলেও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মৌসম ভবনের সূত্রানুযায়ী, “প্রথম ১২ ঘন্টায় গভীর নিম্মচাপ এবং পরবর্তী ১২ ঘন্টায় তা সাইক্লোনে পরিণত হবে। এরপর আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ শুক্রবার পর্যন্ত এর গতিমুখ উত্তরপূর্বে অবস্থান করছে। ১৮ মে গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” একদিকে করোনার দাপট অপরদিকে সাইক্লোন। এমন পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে রবিবার জরুরিকালীন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    ঝড়ের প্রভাবে থাকা সমস্ত এলাকা গুলি থেকে করোনা রোগীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার মহারাষ্ট্রের বেশকিছু অঞ্চলে করোনা টিকাকরণ কর্মসূচীও বন্ধ রাখা হয়েছে।

  • নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে দেশে ঢুকবে বর্ষা, পূর্বাভাস মৌসম ভবনের

    সংবাদ সংস্থা : নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে। সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা ঢোকার কথা। কিন্তু তার একদিন আগেই ৩১ মে কেরালায় বর্ষা ঢুকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।আবহাওয়া দফতরের রিপোর্টে এমন কথাই বলা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী ৩১ মে কেরালায় প্রবেশ করবে।

    তা খুব বেশি হলে চারদিন আগে-পরে হতে পারে।এর আগে ২০১৮ সালে এই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৮ সালে ২৯ মে কেরালায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছিল। আবহাওয়াবিদদের মতে, কেরালায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করার পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি নাগাদ সারা দেশ জুড়ে তা ছড়িয়ে পড়ার কথা।

    এর আগে অবশ্য বেসরকারি সংস্থার তরফেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এবারে বর্ষা নির্ধারিত সময়ের আগেই আসতে পারে। এবার সরকারি তরফেও এই একই কথাই ঘোষণা করা হল।

Back to top button