23 Jun 2021, 3:35 AM (GMT)

Coronavirus Stats

30,067,305 Total Cases
391,385 Death Cases
29,034,224 Recovered Cases

কৃষি

  • কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত, শামিল মহিলারাও

    স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রজাতন্ত্র দিবসের পরই নতুন রূপ পেয়েছে দিল্লি সীমান্তে কৃষক আন্দোলন। আন্দোলনকে জোরদার করতে এবং কৃষি আইন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আনতে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থানের বিভিন্ন এলাকায় সভা করছে কৃষক সংগঠনগুলি। যা ‘কৃষক মহাপঞ্চায়েতে’ নামে খ্যাত। শুক্রবার হরিয়ানার বাহাদুরগড়ে এমনই এক কর্মসূচি করেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত। লোকে লোকারণ্য সভার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল মহিলাদের ভীড়। এই প্রথমবার কোন আন্দোলন সভায় মহিলা কৃষকদের অতিমাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আন্দোলনকারীদের ‘আন্দোলনজীবী’ রূপে উল্লেখ করার পরই সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে। এদিন রাকেশ টিকায়েত জানান, “গান্ধীজিও আন্দোলন করেছিলেন, কৃষকরাও আন্দোলন করছে। আমরা আন্দোলনজীবী রূপে গর্বিত।” তিনি আরো জানান, দেশে মানুষের খিদে নিয়ে কখনো ব্যবসা হতে পারে না।” অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী দাবী করেছেন, কৃষকদের ভুলপথে চালিত করা হচ্ছে। সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত। এর প্রতিক্রিয়ায় কৃষক নেতা জানান, “তিন কৃষি আইন বাতিল করে ফসলের ওপর সর্বনিম্ন সহায়ক মূল্য (এমএসপি) নিয়ে আইন আনতে চাইলে কৃষকরাও আলোচনায় বসতে রাজী।”

    আখের মরশুমে মাঠে ফসল ফেলে নিজেদের দাবিতে অনড় কৃষকরা। প্রবল ঠান্ডার পর দিল্লির গরম কৃষকদের সামনে এক নতুন প্রতিকূলতা। তাঁর ওপর সরকার এবং কৃষকদের দূরত্ব বাড়তে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলনকে জোরদার করতে মরিয়া কৃষক সংগঠনগুলি। তাঁরা জানিয়েছে ২রা অক্টোবরের মধ্যেই এই আইন বাতিল করতে হবে। সেইমতো কর্মসূচীও গ্রহণ করেছে তাঁরা। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে

    বিকেল ৪টে পর্যন্ত দেশজুড়ে রেল আটক করার কথা জানিয়েছে তাঁরা।

  • কেন্দ্রের চাপে নতিস্বীকার, ‘খলিস্তানপন্থী’ কিছু অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল টুইটার

    সংবাদ সংস্থা : অবশেষে কেন্দ্রের চাপে পড়ে সরকার বিরোধী, ‘খলিস্তানপন্থী’ কিছু অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল টুইটার কর্তৃপক্ষ। বুধবার তারা জানিয়েছে, ভারতে কিছু অ্যাকাউন্টকে তারা বন্ধ করেছে। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের চিহ্নিত করে দেওয়া সেই হ্যান্ডেলগুলিকে বন্ধ করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র ভারতের গ্রাহকদেরই অ্যাকাউন্টে প্রভাব পড়েছে। কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরব বিদেশিদের হ্যান্ডেলকে বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।ব্লগ পোস্টে টুইটার কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে,

    সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমের কর্মী, সমাজকর্মী এবং রাজনীতিবিদদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে না তারা। বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে ভারতীয় আইনের মধ্যে থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলে তারা জানিয়েছে। উল্লেখ্য, #FarmerGenocide হ্যাশট্যাগ দিয়ে ২৫৭টি অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট সরকার বিরোধী টুইট করা হয়েছে। তার মধ্যে ১২৬টি অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট বা নিষ্ক্রিয় করেছে টুইটার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক যে ১২০০টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে, তার মধ্যে ৫৮৩টি বন্ধ করা হয়েছে বলে টুইটার সূত্রে খবর।প্রসঙ্গত,

    কৃষক আন্দোলন নিয়ে সরকার বিরোধী, ‘খলিস্তানপন্থী’ এমন ১২০০ টুইটার হ্যান্ডেলকে বন্ধ করার জন্য টুইটার কর্তৃপক্ষকে নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। সেই নোটিসের ২৪ ঘণ্টা বাদেই মঙ্গলবার পাল্টা কেন্দ্রকে টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কাছে কর্মীদের নিরাপত্তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল টুইটার কর্তৃপক্ষ। সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, “সরকারের সঙ্গে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আমরা। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গেও এ বিষয়ে

    প্রাথমিক আলাচনা হয়েছে। তবে কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টিই নিয়েই বেশি চিন্তিত আমরা।”

  • পশ্চিমবঙ্গে কিষান সম্মাননিধি প্রকল্প চালু না হওয়ায় তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    সংবাদ সংস্থাঃ পশ্চিমবঙ্গে কিষান সম্মাননিধি প্রকল্প চালু না হওয়ায় রাজ্যসভায় তৃণমূল সরকারকে আরও একবার বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সোমবার রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, বাংলায় রাজনীতি না হলে আজ পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ কৃষক সম্মাননিধি প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করতে পারতেন৷

    কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজনীতির জন্যই এখনও কিষান সম্মাননিধির সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাজ্যের কৃষকরা৷দেশের কতজন কৃষক তিন কিস্তিতে দু’হাজার টাকা করে পান তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী৷ এরপর বলেন, “যদি বাংলায় রাজনৈতিক বাধা না আসত তাহলে আরও কৃষক কিষান সম্মাননিধি প্রকল্পের সুবিধা পেতেন৷ সেক্ষেত্রে উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ত৷” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের রাজনীতির জন্যই বাংলার লাখো কৃষক কিষান সম্মাননিধির প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ৷

    এই অভিযোগ বারবার করে আসছেন বিজেপি নেতারা ৷ একই অভিযোগ শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলাতেও ৷ এবার এদিন রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণেও মোদির গলায় শোনা গেল সেই একই অভিযোগ ৷

  • কৃষি আইনের প্রতিবাদে ফের আত্মঘাতী কৃষক

    সংবাদ সংস্থাঃ পাঞ্জাব ,হরিয়ানা-সহ দেশের নানা প্রান্তের হাজার হাজার কৃষক তীব্র শীত উপেক্ষা করে গত ৭০ দিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দিল্লি সীমান্তে। উদ্দেশ্য একটাই, যে কোনও মূল্যে কৃষি আইন প্রত্যাহার। কিন্তু, দফায় দফায় কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পরেও গলেনি বরফ। এরই মধ্যে ফের কৃষকআত্মহত্যার ঘটনা দিল্লিতে।কেন্দ্রের লাগু করা তিন কৃষি আইন প্রত্যাহরের দাবিতে রবিবার দিল্লির টিকরি সীমান্তে আত্মঘাতী হন ৫২ বছরের এক কৃষক।মৃত্যুর আগে তিনি জানিয়েছিলেন,

    ” কৃষকদের এই যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছি না।”২২ বছরের এক কৃষক দিল্লি সীমান্তের কৃষক আন্দোলন থেকে ফিরে পঞ্জাবের ভাতিন্ডায় আত্মহত্যা করেন। একই পথে হেঁটে ৬৫ বছরের এক কৃষক সিংঘু সীমান্তে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সেই তালিকাতেই যুক্ত হল রবিবার ফের এক কৃষকের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনা।একদিকে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা, আর অন্যদিকে কৃষকদের

    অনড় মনোভাব নতুন করে চাপের মুখে ফেলল কেন্দ্রকে।

  • নির্বাচন না হলে, ৫০০ ট্রাক্টর নিয়ে কলকাতায় কৃষি বিল বিরোধী মিছিল করতাম : সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী।

    হেদায়তুল্লা পুরকাইত, ডায়মন্ড হারবার : “সামনে নির্বাচন হাতে সময় নেই , না হলে কলকাতার রাজপথে ৫০০টি ট্রাক্টর নিয়ে কৃষি বিল আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে দেখাতাম। রাজ্যে ২৪ শে ডিসেম্বর আমরা প্রথম কৃষি বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলাম। সেই সময় কেউ পথে নামেনি।” রবিবার মগরাহাট ২ নং ব্লকের মগরাহাট হাই স্কুলের মাঠে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ডাকে কৃষি বিল আইনের বিরুদ্ধে গণ বিক্ষোভে যোগ দিতে এসে একথাই বলেন,

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামা সভাপতি সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী।এদিন জমিয়তে উলামায়ের ডাকে গণ বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ , বেলুর মঠের রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী পরমানন্দ মহারাজ সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ। এদিন গণ বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত সকলে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় নিন্দা করেন। সিদ্দীকুলা চৌধুরী বলেন,

    “কেন্দ্র সরকার দেশের মানুষের ক্ষতি করার জন্য কৃষি বিল পাশ করেছে। সারা দেশের মানুষ আজ কৃষি আন্দোলনে সামিল হয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “হজ্বের জন্য আরবে গিয়ে দেখি চালের বস্তার গায়ে মেডইন ইন্ডিয়া পাঞ্জাব লেখা আছে। বিদেশের বাজারে কৃষকরা দেশের নাম উজ্জ্বল করছে , আর সেই কৃষকদের ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। এই আইন মানা হবে না। শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে

    লড়ে যাবো।”

  • কৃষকদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে সিপিএমের পথ অবরোধ ডায়মন্ড হারবারে

    হেদায়তুল্লা পুরকাইত, ডায়মন্ড হারবার : নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে এবং দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে পথ অবরোধ করল সিপিএম। ডায়মন্ড হারবার স্টেশন সংলগ্ন ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর বেশ কিছুক্ষণ পথ অবরোধ করার দরুন যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়। সিপিএম নেতা দেবাশিস ঘোষ বলেন,

    কেন্দ্রের সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকার দেশকে অশান্ত করে তুলছে। বিরোধীদের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করে নিজেদের মতো করে এবং দেশের ধনী ব্যবসায়ীদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য নতুন নতুন আইন পাশ করছে। সমস্যায় পড়েছে গরিব খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে যে সকল কৃষকরা এসে দিল্লিতে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন, তাঁদের উপর পুলিশ নানাভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে। এমনকী তাঁদের পথ আটকাতে

    রাস্তার উপর পেরেক পোঁতা হয়েছে।

  • দেশজুড়ে রাস্তা অবরোধ আন্দোলনে ‘সফল’ কৃষক

    সংবাদ সংস্থাঃ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েতের ডাকে শনিবার দেশজুড়ে রাস্তা অবরোধ করে কৃষকরা। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত এই চাক্কাজ্যামের (রাস্তা অবরোধ) ডাক দেওয়া হয়। অবরোধ শেষে কৃষকরা এই আন্দোলন কর্মসূচিকে ‘সফল’ বলে জানিয়েছেন। তিন কৃষি আইনের বিরোধিতায়, ২৬ জানুয়ারী প্রজাতন্ত্র দিবসের ঘটনার পর শনিবারে দেশজুড়ে রাস্তা অবরোধ কর্মসূচি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

    কৃষকদের আবার একজোটে আন্দোলন মুখী করতে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। শুক্রবার আচমকাই কৃষক নেতারা দেশজুড়ে ৩ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধের ডাক দেন। এদিন সেই ডাকে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মেলে। ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় চাক্কাজ্যামের ছবি ধরা পড়ে। তবে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি এবং উত্তরাখন্ডকে এই তালিকায় শামিল করা হয়নি। সূত্রের খবর, আখ কাটার মরশুমে রাস্তায় ফসল বোঝাই গাড়ীর কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


    এদিনকার আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ এবং সফল বলে দাবী করেছে কৃষকরা। তবে বেশকিছু জায়গা থেকে আন্দোলনকারী কৃষকদের গ্রেপ্তারের খবরও পাওয়া গেছে। ব্যাঙ্গালোর শহর জুড়ে প্রায় ৩০ জন কৃষক নেতাকে গ্রেপ্তার হয়েছে। টানা তিন ঘন্টা আন্দোলন শেষে মোটরসাইকেল, ট্র্যাক্টরের হর্ন বাজিয়ে বিক্ষোভ শেষ হয়। হর্ন বাজানোর কারণ হিসেবে এক আন্দোলনকারী কৃষক কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, “কখনো কখনো কালা ব্যক্তিদের কানে আওয়াজ পৌঁছাতে জোরে চিৎকার করার

    প্রয়োজন হয়ে পড়ে।”

  • কৃষি আইন প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রকে সময়সীমা বেঁধে দিলেন কৃষকরা

    সংবাদ সংস্থাঃ দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পরও কর্ণপাত করেনি সরকার। কেন্দ্রের চোখ খুলতে ২৬ জানুয়ারি ট্রাক্টর র‍্যালি এবং শনিবার দেশজুড়ে চাক্কা জ্যাম কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কাজের কাজ তেমন কিছু হয়নি। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই কৌশলী অবস্থান নিলেন বিক্ষোভকারীরা। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত জানিয়ে দিলেন,

    বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের জন্য সরকারকে ২ অক্টোবর অর্থাৎ গান্ধী জয়ন্তী পর্যন্ত সময় দিতে চান তাঁরা। এই সময়সীমার মধ্যে আইন প্রত্যাহার না হলে পরবর্তীতে নতুন করে আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে।

  • কৃষক স্বার্থে ট্রাক্টর, বাইক মিছিল জয়নগরে

    রফিকুল ঢালি, জয়নগর : বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি আইনের প্রতিবাদে এবং জীবন জীবিকার স্বার্থে জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস ও বকুলতলা নতুনহাটের শিক্ষক শাহাবুদ্দিন শেখের নেতৃত্বে দশম দিনের ধর্না মঞ্চ থেকে এলাকার কৃষক এবং ক্ষেতমজুররা মিছিল করেন। এই মিছিলে

    বহু ট্রাক্টর, বাইক অংশ নেয়।

  • কৃষক নেতাদের নিয়ে ভেঙে পড়ল মহাপঞ্চায়েত মঞ্চ

    সংবাদ সংস্থাঃ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল মঞ্চ৷ ভার সহ্য করতে না পেরে কৃষক আন্দোলনের মঞ্চ ভাঙল হরিয়ানায়৷ কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে ডাকা হয়েছিল ‘মহাপঞ্চায়েত’৷ হরিয়ানার জিন্দ জেলায় ডাকা সেই মহাপঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের প্রধান রাকেশ টিকাইত সহ অন্য নেতারা৷ সভা চলাকালীনই মঞ্চ ভেঙে পড়ে যায়৷ তখন মঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে ছিলেন রাকেশ টিকাইত সহ অন্য কৃষক নেতারা৷ তবে

    এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

Back to top button

Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/biswasam/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757