15 Jun 2021, 4:42 AM (GMT)

Coronavirus Stats

29,617,058 Total Cases
377,061 Death Cases
28,345,261 Recovered Cases

রাজ্য

  • ‘বাংলাকে পরাধীন হতে দেব না’, হুঙ্কার মমতার

    স্টাফ রিপোর্টারঃ উত্তরবঙ্গকে কি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য বিজেপির? খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকেও এই প্রশ্ন উঠে গেল। সোমবার বিষয়টি কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা। এহেন প্রচেষ্টা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বিগত ক’দিন নানা সূত্র মারফৎ জানা যায়; সুরক্ষা, ঐক্য, অনুপ্রবেশ, অনুন্নয়নের মতো ইস্যুকে হাতিয়ার করে উত্তরবঙ্গে পৃথকভাবে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানাতে চলেছে বিজেপি। যেহেতু উত্তরবঙ্গে বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদ সংখ্যা বেশি, সেই কারণে একে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার প্রস্তাব পাঠানো হবে কেন্দ্রে। এমন পরিকল্পনার কথা উঠে আসে।

    বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এ দিন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মমতা। বলে ওঠেন, “মনে হচ্ছে যেন মহারানি নিজেই যেন নিজের ঘরের অলঙ্কার বিলি করছেন। যেন দেশটাকে এমন মনে করছে বিজেপি। এত সহজ?” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “দক্ষিণবঙ্গ পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে। উত্তরবঙ্গও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে। কোনওরকম ভাগাভাগি আমি করতে দেব না।

    রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া এসব হবে না। বিজেপি যদি মনে করে জলপাইগুড়ি বিক্রি করে দেব, অত সস্তার নয়, বিজেপি যদি মনে করে আমি আলিপুরদুয়ার বিক্রি করে দেব, কোচবিহার বিক্রি করে দেব, দার্জিলিং বিক্রি করে দেব, অত সস্তার নয়। আমি বাংলাকে পরাধীন করতে দেব না। নিজেরা দিল্লি সামলাতে পারে না।”

    মমতার প্রশ্ন, “কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার মানেটা কী? দিল্লির পায়ে পড়তে হবে? জম্মু কাশ্মীরের মতো মুখ বন্ধ করে রাখতে হবে? যারা দু-চারটে ফেক ভিডিয়ো করে বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে, তাঁদের পরে বুকে লিখে ঘুরতে হবে, বিজেপি করি না।”

    যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু এদিন জানিয়েছেন, এমন কোনও পরিকল্পনা কখনই বিজেপির নেই। যা রটেছে পুরোটাই মিথ্যা। বিজেপি বঙ্গভঙ্গ চায় না।

  • সাংসদপদ খারিজ করার দাবিতে লোকসভার অধ্যক্ষকে ফোন সুদীপের

    স্টাফ রিপোর্টারঃ শিশির অধিকারী ও সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে ফোন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে ফোন করলেন সুদীপ। সম্প্রতি তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে ওম বিড়লার কাছে চিঠি দিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    সেখানে তিনি শিশির অধিকারী ও সুনীল মণ্ডলের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের কথা বলেন। যেহেতু সুনীল মণ্ডল সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এবং শিশির অধিকারীও বিজেপির মঞ্চে বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন তাই তৃণমূল সাংসদ হিসাবে তাঁদের পদ খারিজের দাবি তুলেছে তৃণমূল।

    সোমবার ফের ফোনে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে একই দাবি জানান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ওম বিড়লা তাঁকে জানিয়েছেন বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে কমিটি হওয়ার পর গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হবে।

    তবে এ প্রসঙ্গে শিশির অধিকারীর বক্তব্য, “সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমি কোনও অন্যায় কাজ করিনি। তাই ইস্তফাও দেব না। অধ্যক্ষই যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবেন।”

  • ৩০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ল বিধিনিষেধ, কিছু ক্ষেত্রে ছাড়

    পশ্চিমবঙ্গের করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে যেখানে সংক্রমণের হার ছিল ২২ শতাংশ। সেই জায়গায় সংক্রমণ হার নেমে দাঁড়িয়েছে ৬ শতাংশে।

    কিন্তু এখনই সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে আরও ১৫ দিন রাজ্যের বিধিনিষেধ বাড়ানো হল। চলতি মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত যা জারি থাকবে। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সোমবার নবান্নের সভাঘর থেকে এমনটাই ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিধিনিষেধ জারি থাকলেও সবরকম জরুরী পরিষেবার ওপর পূর্বের মতো ছাড় থাকছে। সরকারি অফিসগুলি ২৫ শতাংশ এবং বেসরকারি অফিস বা কর্পোরেট সংস্থাগুলি ৫০ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে খোলার অনুমতি থাকবে। অফিসগুলি ১০ টা থেকে ৪ টে পর্যন্ত খোলা থাকবে। সেক্ষেত্রে কর্মচারীদের পরিবহনের ব্যবস্থা কোম্পানিকেই করতে হবে।

    কর্মচারীদের অফিসে নিয়ে আসার জন্য ই-পাস নেওয়া বাধ্যতামূলক। আপাদত রাজ্যজুড়ে লোকাল ট্রেন এবং বাস পরিষেবা বন্ধ থাকবে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে অটো এবং ট্যাক্সি ব্যবহার করা যেতে পারে।পূর্বের মতো সকাল ১০ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাঙ্কগুলি খোলা থাকবে। ভোর ৬ টা থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত পার্কে এবং মর্নিং ওয়াকে যাওয়া যাবে।

    করোনা টিকা নেওয়া থাকলে তবেই পার্কে ঢোকার অনুমতি থাকবে। জিম ও সুইমিং পুল অবশ্য বন্ধ থাকবে। বাজার,হাট,মুদিখানা দোকান, দুধের দোকান, ডিমের দোকান সকাল ৭ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত খোলা যাবে। অন্যান্য দোকান সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত খোলা যাবে। ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে রেস্তোরাঁ এবং বারগুলি খোলা যেতে পারে দুপুর ১২ টা থেকে রাত্রি ৮ টা পর্যন্ত।

    পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান আজ থেকে শপিং মলগুলি তাদের ধারণক্ষমতার ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়ে খুলতে পারে। অপরদিকে কোভিড বিধি মেনে শ্যুটিং চালু করার কথাও বলেন তিনি। তবে সেক্ষেত্রে ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক।

  • ত্রিপল চুরি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রিপল চুরি কাণ্ডে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মামলায় ইতিমধ্যে শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীদের জেরা করতে চেয়ে নোটিশ দিয়ে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। যদিও সেই নোটিশ গ্রহণ করেননি শুভেন্দুর নিরাপত্তায় থাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের বিরোধিতা করায় তাঁকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। গত ১ জুন শুভেন্দু ও তাঁর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কাঁথি পুরসভার গুদাম থেকে ত্রিপল সরানোর অভিযোগ করেন পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য রত্নদীপ মান্না।

    তাঁর অভিযোগ গত ২৯ মে কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে শুভেন্দু ও সৌমেন্দুর নির্দেশে জোর করে ত্রিপল বার করে নিয়ে যান ২ ব্যক্তি।

    এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ। এই মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে আদালত সূত্রের খবর। আগামী ২২ জুন মামলাটির শুনানি হতে পারে।

  • মোদীর রাজ্যে বদল আনার চ্যালেঞ্জ কেজরিওয়ালের

    সংবাদ সংস্থাঃ ২০২২ সালের গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবে আম আদমি পার্টি। রাজ্যের সব আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে বলে সোমবার ঘোষণা করলেন দলের সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। উল্লেখ্য, এদিন গুজরাতে দলের সংগঠনের হাল হকিকত জানতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    এদিন আহমেদাবাদের নবরঙ্গপুরাতে একটি দলীয় কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এদিন আহমেদাবাদে যাওয়া আগে কেজরিওয়াল টুইট করেছিলেন, ‘এবার গুজরাত বদলাবে।’ আর এদিন আহমেদাবাদে গিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, ‘এখানকার (গুজরাত) মানুষকে ভাবতে হবে যে দিল্লিতে যদি বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তাহলে এখানে পাওয়া যাবে না কেন?

    হাসপাতালের ক্ষেত্রেও পরিকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন। গত ৭০ বছরেও তা হয়নি। কিন্তু এখন এখানে বদল আসবে।’ এদিন গুজরাতের বিশিষ্ট সাংবাদিক ইসুদান গান্ধবজি আম আদমি পার্টিতে যোগদান করেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হাত ধরে।

    কেজরিওয়াল তাঁর যোগদান প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি গুজরাতের বিশিষ্ট সাংবাদিক ইসুদান গান্ধবজিকে আম আদমি পার্টির পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। আমি নিশ্চিত যে, গুজরাতের জন্যে যেই স্বপ্ন ইসুদান ভাই দেখেন, তা তিনি পূরণ করতে পারবেন।’

  • দেশ জুড়ে কৃষক ঐক্যের বার্তা মমতার

    স্টাফ রিপোর্টারঃ কৃষকের অধিকার রক্ষার দাবিতে লড়াই জারি থাকবে। সিঙ্গুর আন্দোলনের কথা তুলে ধরে ফের কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত সিঙ্গুর আন্দোলনের দশম বর্ষপূর্তিতে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো এবার জাতীয় ক্ষেত্রে কৃষকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরতে চাইলেন। এবং এই দুর্দশার জন্য কাঠগড়ায় তুললেন কেন্দ্রীয় সরকারকে।

    সোমবার টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘দশ বছর আগে এই দিনেই রাজ্য বিধানসভায় সিঙ্গুল ল্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্য়ান্ড ডেভেলপমেন্ট বিল পাশ হয়। বহু লড়াই ও বিতর্কের পর ওই বিল পাশ হয়েছিল। আমরা কৃষকদের অধিকার রক্ষার জন্য যৌথভাবে লড়াই করব। তাদের জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনব।’ টুইট করে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ‘কেন্দ্রের উদাসীনতার জন্য জাতীয় ক্ষেত্রে কৃষকদের নানা দুর্ভোগ হচ্ছে, এটা আমাকে যন্ত্রণা দেয়। আসুন,

    আমাদের সমাজের মেরুদণ্ডকে সুরক্ষিত করার স্বার্থে আমাদের যৌথভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। তাদের অধিকার রক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’ টুইটে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • পশ্চিমবঙ্গে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করা হবেঃ ধনখড়

    স্টাফ রিপোর্টারঃ বিধানসভায় কিছুক্ষণের বৈঠক। তারপর রাজপথে নামলেন বিজেপি বিধায়করা। হেঁটে গেলেন রাজভবনে। রাস্তাজুড়ে বিধায়করা হেঁটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী–সহ বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে চা–চক্রের পর নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য সরকারকে আবার কড়া ভাষায় দুষলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন তুললেন তিনি। এদিন তিনি মনে করিয়ে দেন, অন্যান্য রাজ্যের মতো এই রাজ্যেও দলত্যাগ বিরোধী আইন বলবৎ রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদক্ষেপ করার আবেদন জানান তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ করেন বিজেপি বিধায়করা।

    তাঁদের অভিযোগ, একুশের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। এখানে একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় সামনে এসেছে তা হল—বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী–সহ মোট ৫১ জন বিধায়ক এদিন রাজভবনে যান। যদিও বিজেপিতে থাকা বাকি ২৩ জন বিধায়ক গেলেন না কেন?‌ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার পর শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে নিয়ে রাজ্যপাল সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্য সরকারকে খোঁচা দেন তিনি। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‌নির্বাচন পরবর্তী রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে কেন মুখ্যমন্ত্রী গেলেন না? বাংলায় গণতন্ত্র নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।

    পশ্চিমবঙ্গে হিংসার তাণ্ডবনৃত্য চলছে। আমি রাজ্য প্রশাসনকে আবার বলছি, নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। যা হচ্ছে, তা পৃথিবীর কোনও কোণায় হয় না।’‌ এরপর তিনি আরও সোচ্চার হন। রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজভবনের সম্পর্ক যে সুমধুর নয়, তা একের পর টুইট পালটা টুইটেই স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই মুকুল রায় বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

    তাতে জোর ধাক্কা লেগেছে গেরুয়া শিবিরে। এবার দল যে ভাঙনের মুখে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এই নিয়ে আজ রাজ্যপালকে নালিশ ঠুকেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার প্রেক্ষিতে রাজ্যপাল বলেন, ‘‌আমি জানতে পারলাম গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগই করা হয়নি। আমি আশ্বস্ত করছি, পশ্চিমবঙ্গে এই আইন কার্যকর করা হবে। আমি নিশ্চিত করব যাতে কার্যকর হয়।’‌

  • এক জাতি এক রেশন প্রকল্প নিয়ে সমস্যা নেই, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলায় বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হল। আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত বহাল থাকবে কার্যত লকডাউন। তবে একাধিক ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট সব রাজ্যকেই নির্দেশ দিয়েছিল, ‘‌এক জাতি, এক রেশন’‌ প্রকল্প চালু করতে।

    তাতে বিজেপি নেতারা ভেবেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বেশ চাপে ফেলা গেল। তাই তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে থাকেন। ঘটা করে সেই পোস্ট সেদিন সকলেরই নজরে এসেছিল।এবার নবান্নে রাজ্যের বিধিনিষেধ নিয়ে বলতে গিয়ে মাস্টারস্ট্রোক দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    তিনি সোমবার বলেন, ‘‌আমাদের কোনও সমস্যা নেই এক জাতি এক রেশন প্রকল্প চালু করা নিয়ে। এই প্রকল্প চালু করার বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে।’‌ অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের রায়কে তিনি একদিকে সম্মান জানালেন।

    অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের মুখে কার্যত ঝামা ঘষে দিলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা। এতে যে তিনি চাপে পড়েননি তা কার্যত পরিষ্কার করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • বাইক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন কন্নড় অভিনেতা সঞ্চারি বিজয়

    সংবাদ সংস্থা : ১৪ মে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কন্নড় অভিনেতা সঞ্চারি বিজয়কে মৃত বলে ঘোষণা করল হাসপাতাল। শনিবার, ১২ মে বাইক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। একাধিক চোট ও আঘাত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সোমবার তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাইক স্কিড করে রাস্তার ধারের ল্যাম্পপোস্টে ঘিয়ে আঘাত করে।

    ফলে মাথায় গুরতর চোট পান তিনি। মাথা থেকে রক্তপাতও হয়। রবিবার সঞ্চারির ব্রেন সার্জারি করা হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। গত ২ দিন নিউরো আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে। সঞ্চারি বিজয়ের ভাই সিদ্ধেশ কুমার জানিয়েছেন পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনেতার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দান করা হয়েছে।

    রবিবারই ধীরে ধীরে সঞ্চারির মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছিল। তারপর পরিবারের পক্ষ থেকে অঙ্গদানের কথা ঘোষণা করা হয়। ২০১১ সালে ‘রঙ্গাপ্পা হোগবিটনা’ ছবির সঙ্গে অভিনয় সফর শুরু করেছিলেন সঞ্চারি বিজয়।

    বহুল সমালোচিত ছবি ‘নান্নু অভানাল্লা’য় ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরকামীর চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন সঞ্চারি বিজয়। গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যাক্ট ১৯৭৮’ ছবিতেও নজরকাড়া পারফরম্যান্স দিয়েছেন অভিনেতা। অভিনেতার অকাল মৃত্যুতে শোকের ছাঁয়া কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে।

  • দূর্গতদের পাশে দাঁড়াল লেক কালিবাড়ির সদস্য

    হেদায়তুল্লা পুরকাইত, ডায়মন্ড হারবার : বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলেন লেক কালীবাড়ির সদস্যরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গোসাবা, ক্যানিং, পাথরপ্রতিমা, নামখানা ও ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন লেক কালীবাড়ির সদস্যরা।

    রবিবার ডায়মন্ড হারবারের জেটিঘাটে লেক কালীবাড়ির সদস্যদের পক্ষ থেকে অসহায় মৎস্যজীবী ও বন্যা এলাকার দুর্গত মানুষদের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পি উল্গানাথান, ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক সুকান্ত সাহা, ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

    তবে এদিন ত্রাণ বিতরণের পরেই ডায়মন্ড হারবারের নদী বাঁধ এলাকা ঘুরে দেখেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক। তিনি জানান, “যেসব এলাকার নদীবাঁধ গুলি ভেঙে গিয়েছিল, তার বেশির ভাগটাই প্রায় মেরামত করা হয়ে গিয়েছে।

    তবে এখনও কিছু কিছু জায়গায় কাজ বাকি আছে, সেই সব জায়গার কাজগুলি চলছে।২৬ তারিখে যে ভরা কটাল রয়েছে, সেই কটাল আটকাতে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।”

Back to top button