12 Jun 2021, 11:40 AM (GMT)

Coronavirus Stats

29,359,155 Total Cases
367,097 Death Cases
27,911,384 Recovered Cases

দেশ

  • ৯২ টি দেশে ৫০ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা আমেরিকার

    সংবাদ সংস্থাঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফ্রিকান ইউনিয়ন-সহ ৯২টি অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া দেশের জন্য ৫০ কোটি কোভিড-১৯এর ফাইজার ভ্যাকসিন কেনা এবং তা দান করার কথা ঘোষণা করলেন৷ হোয়াইট হাউস থেকে এই কথা ঘোষণা করেন বাইডেন৷হোয়াইট হাউসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই প্রথম কোনও দেশ এই বৃহৎ পরিমাণ ভ্যাকসিন কিনেছে এবং কোনও দেশকে দান করেছে৷ আর এটির মাধ্যমে আমেরিকাবাসী কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্ববাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করছে বলে দাবি করা হয়েছে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে৷বাইডেন জানিয়েছেন, আগামী জুনের মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন জীবনদায়ী ভ্যাকসিন দেশগুলিতে পৌছে যাবে৷ যার মধ্যে ২০০ মিলিয়ন এই বছরের শেষেই পৌছে যাবে দেশগুলির কাছে৷বাইডেন করোনা অতিমারির হাত থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে সকল গণতান্ত্রিক দেশগুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ” আমাদের এই অনুদানের উদ্দেশ্য হল , বিশ্ববাসীকে এই অতিমারীর হাত থেকে রক্ষা করা৷” তিনি আরও বলেন, ” আমেরিকা এখন গণতন্ত্রের ক্ষমতা, আমেরিকার বিজ্ঞানীদের দক্ষতা এবং আমেরিকার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির কার্যক্ষমতার সাহায্যে বিশ্ববাসীকে টিকাকরণ করিয়ে এই অতিমারীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে৷”

  • যোগীর কাজেই ক্ষুব্ধ বিধায়কগণ, নতুন রাজনৈতিক দল গড়া যেতে পারে : টিকায়েত

    দুই দিনের সফরে রাজধানীতে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেখানে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠক করেন তিনি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের গেম প্ল্যান বানানো এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথেও গোপন বৈঠক করেন আদিত্যনাথ। সেই নিয়ে কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত বলেন, ‘যোগীর কর্মকান্ডের জেরেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি বিধায়করা ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন।’ এরপর তিনি পরামর্শ দেওয়ার ভঙ্গিতে বলেন, ‘ উত্তরপ্রদেশে যতসংখ্যক বিধায়ক রয়েছে তাঁরা চাইলে ভালোভাবে নতুন এক রাজনৈতিক দল স্থাপন করতে পারেন।’এদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের কিছু উত্তর না দিয়েই নিজের গাড়িতে বেরিয়ে যান যোগী। এরপর তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সাথে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে দেখা করেন। এরমাঝে তিনি টুইট করে লেখেন, ‘আজ নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সৌজন্যে ভরা সাক্ষাত এবং পথনির্দেশ পাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। নিজের ব্যস্ততার মধ্যেও আমার জন্য সময় বের করে পথ দেখানোর জন্য শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’উল্লেখ্য কিছুদিন পূর্বে বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ এবং উত্তরপ্রদেশ বিজেপি প্রধান রাধামোহন সিংহ লখনউ সফরে যান। এই সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা। এই সমীক্ষায় বেশকিছু বিধায়ক এবং নেতাদের সাথে কথা বলেন তাঁরা। তার কিছুদিন পর আদিত্যনাথের দিল্লি সফর জুড়ে হটাৎ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য রাজনীতি।

  • কোচেদের টোকিও যাওয়ার অনুমতি চেয়ে চিঠি লিখল বিএআই

    সংবাদ সংস্থা : টোকিও অলিম্পিকগামী ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ারদের সঙ্গে চারজন কোচ এবং দু’জন ফিজিওর ট্রাভেল করার অনুমতি চেয়ে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি লিখল ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। এই চার কোচ হলেন চিফ ন্যাশানাল কোচ পুল্লেলা গোপীচন্দ, আগুস দিউয়ি সান্তোসো, পার্ক তাই সাং ও মাথিয়াস বো এবং দুই ফিজিও হলেন সুমাংশ শিবালঙ্কা এবং ইভাংলাইন বাদ্দাম।

    কোচ এবং ফিজিওদের ট্রাভেল করার অনুমতি চেয়ে চিঠি লেখা প্রসঙ্গে ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার এক সূত্র বলেন, ‘টোকিও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টন থেকে পদক আসার দারুন সম্ভাবনা রয়েছে। সেই জন্য অলিম্পিকগামী চার ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ারের সঙ্গে চিফ কোচ পুল্লেলা গোপীচন্দসহ ছয় সদস্যের সাপোর্ট স্টাফের দলের ট্রাভেল করার অনুমতি চেয়ে সোমবার ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে’।

    উল্লেখ্য, আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন চারজন প্লেয়ার। রিও অলিম্পিকে রৌপ্য পদক জয়ী পি ভি সিন্ধু, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী বি সাই প্রণীত এবং বিশ্বের ১০ নম্বর ডাবলস জুটি চিরাগ শেট্টি এবং সাত্ত্বিক সাইরাজ রনকিরেড্ডি।

    তবে ২৩ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা টোকিও অলিম্পিকের নিয়মানুযায়ী, একটি স্পোর্টসে অংশগ্রহণকারী অ্যাথলিট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সংখ্যক সাপোর্ট স্টাফ তাঁদের সঙ্গে ট্রাভেল করতে পারবেন। তবে ক্রীড়ামন্ত্রক প্রয়োজন পড়লে সেই সংখ্যাটা বাড়াতে পারে।

  • চলতি সপ্তাহেই জি৭ সম্মেলন ভারচুয়ালি যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    সংবাদ সংস্থাঃ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১২ এবং ১৩ জুন ভারচুয়ালি এই বৈঠকে থাকবেন তিনি। কথা বলবেন জি৭ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে একথাই জানানো হল। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি।

    সেখানেই তিনি জানান, আগামী ১২ এবং ১৩ জুন জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের বর্দ্ধিত বৈঠকে ভারচুয়ালি যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনা পরবর্তী যুগে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বিশ্ব? পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন বা আবহাওয়ার সংকট কীভাবে দূর করা সম্ভাব? জি৭ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সেই নিয়েও আলোচনা সারবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    যদিও এর আগে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকে যোগদান করা নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছিল। একমাস আগেই বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, দেশের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় সশীরে ব্রিটেনের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন না প্রধানমন্ত্রী। তবে এবার তাঁর ভারচুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছে।

  • রেকর্ড মৃত্যু, ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা!

    সংবাদ সংস্থাঃ গত কয়েকদিনে আশার আলো দেখিয়েছিল করোনা গ্রাফ। ক্রমশই কমছিল সংক্রমণ। মৃত্যু হারে রাশ না টানা গেলেও মোটামুটি সাড়ে চার হাজারের নিচেই ওঠানামা করছিল সংখ্যা। কিন্তু বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গেল। করোনার কোপে একদিনে ৬ হাজারেরও বেশি মৃত্যু ঘটল দেশে।

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ হাজার ৫২ জন। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫৯৬ জন। সামান্য হলেও এদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এর পাশাপাশি বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও। বুধবারের হিসাব বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ হাজার ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর বৃহস্পতিবারের রিপোর্ট পাওয়ার পর ফের বৃদ্ধি পেয়েছে করোনার ভয়াবহতা।

    এদিন দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ১৪৮ জনের। এখনও পর্যন্ত এটিই করোনার আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু। করোনায় ২৪ ঘণ্টায় এত বেশি মৃত্যু আগে কখনও হয়নি। একদিকে যখন মৃত্যু আশঙ্কা জাগাচ্ছে, তখন কমেছে সুস্থতার সংখ্য়াও। বুধবার ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৬৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।

    আর বৃহস্পতিবার সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৬৭ জন। সুস্থতার সংখ্যাও গতকালের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। তবে দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে সুস্থতার হার গত কয়েকদিনের মতো এদিনও বেশি। মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯১ লক্ষ ৮৩ হাজার ১২১ জন। তবে মঙ্গলবারের থেকে বুধবার দেশে অ্যাক্টিভ করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও এদিন তা ফের কমেছে।

    বুধবার দেশে অ্য়াক্টিভ করোনা রোগীর সংখ্য়া ছিল ১২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪১৫ জন। আর বৃহস্পতিবার সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫২ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৭৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৯৩ জন। দেশের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬৭৬ জনের। মোট ২৩ কোটি ৯০ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৬০ জনকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

  • দেশের ১৮টি রাজ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করতে চলেছেন সোনু সুদ

    সংবাদ সংস্থা : এর আগেই সোনু জানিয়েছিলেন গ্রামীণ ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে উন্নত করতে বেশ কিছু জায়গায় অক্সিজেন্ট প্ল্যান্ট বসাবেন তিনি। সেই মতো দেশের ১৬ থেকে ১৮টি রাজ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করার কথা ঘোষণা করলেন সোনু। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর ও কুর্নুলে এই কাজ সবার আগে চালু করেছিলেন সোনু।

    তখনই জানিয়েছিলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে বসবাসকারী মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই হবে তাঁর লক্ষ্য। চলতি মাস থেকেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। এবং সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে ফেলা সম্ভব হবে।এক সাক্ষাৎকারে সোনু জানান, ‘প্রায় সব রাজ্যেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি।

    অন্ততপক্ষে ১৫০ থেকে ২০০ বেড রয়েছে এমন হাসপাতালের নিকটে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে করে হাসপাতালগুলিকে আর অক্সিজেন সঙ্কটের মুখে পড়তে না হয়। মাঝেমধ্যে রোগীদের অক্সিজেনের জন্য অনেক দূর যেতে হয়, মাঝ রাস্তাতেই অনেকে মারা যান। আশা করব এরপর এই ধরনের জনিস আর হবে না।’

    সোনু আরও জানান, ‘বর্তমানে প্রায় ৭০০ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানো হলে অক্সিজেনের সমস্যা পুরোটাই মিটে যাবে। কেন আমরা করোনার তৃতীয় কিংবা চতুর্থ ওয়েভের জন্য অপেক্ষা করব। মহামারী মিটে গেলও গ্রাম ও জেলাগুলোর কাছে অক্সিজেনের সাপ্লাই সব সময় থাকবে।’

  • এবছরও কার্যত ভক্ত সমাগম ছাড়াই রথযাত্রা পুরীতে

    সংবাদ সংস্থাঃ গতবারের মতো এবারও কোভিড বিধি মেনেই পালিত হবে পুরীর রথযাত্রা । থাকবে না কোনও রকম ভক্ত সমাগম। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ জারি করল ওড়িশা সরকার। ২০২০ সালে কোভিড অতিমারীর কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, সর্বোচ্চ ৫০০ জনকে অনুমতি দেওয়া হবে রখের রশি টানার।

    অবশ্যই সকলকে কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট দেখিয়েই অনুমতি নিতে হবে। এই ৫০০ জনের মধ্যে মন্দিরের সদস্য ও পুলিশকর্মীরাও থাকবেন।এ বছরও সেই গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছিল তা মেনেই এবারও রথযাত্রা পালিত হবে বলেই জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। শুধু তাই নয়, একমাত্র পুরী ছাড়া ওড়িশার আর কোথাও রথযাত্রা পালন করা যাবে না।

    ওড়িশার স্পেশাল রিলিফ কমিশনার প্রদীপ জেনা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, এবছরও জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথযাত্রা অনুষ্ঠান পালিত হবে।

    তবে কেবল মাত্র করোনা নেগেটিভ ও টিকার দুই ডোজ নেওয়া ব্যক্তিরাই তাতে অংশ নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ওই সময় পুরী জুড়ে কারফিউ জারি করা থাকবে।

  • পাঁচের কম বয়স্ক শিশুদের পরতে হবে না মাস্ক, নয়া নির্দেশিকায় পরামর্শ কেন্দ্রের

    সংবাদ সংস্থা : পাঁচ বছর ও তার নীচের শিশুদের মাস্ক পরতে হবে না। ১৮-এর কমবয়স্ক শিশুদের ক্ষেত্রে করোনা নিয়ন্ত্রণে সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকায় এমনই পরামর্শ দিল কেন্দ্র। সেইসঙ্গে ৬ থেকে ১১ বছরের শিশুদেরও বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে না জানানো হল।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেলফ সার্ভিসেসের তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, সুরক্ষিতভাবে মাস্ক পরতে কতটা সক্ষম, তার উপর নির্ভর করে ৬-১১ বছরের শিশুদের মাস্ক পরতে হবে। পুরো বিষয়টি অভিভাবকদের নজরদারিতে করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে।

    সেইসঙ্গে শিশুদের করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় রেমডেসিভির ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘১৮ বছরের নীচে শিশুদের ক্ষেত্রে রেমডেসিভিরের সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য নেই।’ স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছে কেন্দ্র।

    জানানো হয়েছে, উপসর্গহীন ও স্বল্প উপসর্গের করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে স্টেরয়েড অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে হাসপাতালে ভরতি থাকা যে করোনা আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ বা গুরুতর খারাপ, তাঁদের ক্ষেত্রে স্টেরয়েড দেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রেও রোগীকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

    কীভাবে স্টেরয়েড ব্যবহার করতে হবে, তাও কেন্দ্রের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেলফ সার্ভিসেসের পরামর্শ

    ,

    ‘সঠিক সময়, সঠিক মাত্রায়, সঠিক সময়কালে স্টেরয়েড ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই ছাড়তে হবে নিজে থেকেই স্টেরয়েড নেওয়ার প্রবণতা।’

  • দাড়ি কাটাতে মোদীকে ১০০ টাকা পাঠালেন মহারাষ্ট্রের এক চাওয়ালা

    সংবাদ সংস্থা : কোভিডকালে ক্রমেই বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দাড়ি। যা নিয়ে কম তোপ দাগেননি বিরোধীরা। তবে দাড়ি কাটাননি মোদী। এবার প্রধানমন্ত্রীকে দাড়ি কাটানোর জন্য ১০০ টাকার মানিঅর্ডার করলেন মহারাষ্ট্রের এক চা বিক্রেতা, নাম অনিল মোরে। বারামতীর ইন্দরপুর রোডে অবস্থিত একটি হাসপাতালের সামনে চা বিক্রি করেন অনিল

    প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সেই ব্যক্তির আরও আবেদন, দেশের উন্নয়নের দিকে নজর দিন।করোনা পরিস্থিতিতে গতবছর লকডাউন জারি হয়েছিল দেশজুড়ে। সেই সময় রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তোপ দেগে বলেছিলেন, দেশজুড়ে সব বন্ধ, তাহলে আপনি দাড়ি কীভাবে কাটছেন? এরপর থেকে আর দাড়ি কাটাননি প্রধানমন্ত্রী মোদী। এরপর বাংলার নির্বাচনে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবেগকে টেনে আনতে হোক বা অন্য কোনও কারণে, ২০২১ সালেও বেড়ে চলেছে মোদীর দাড়ি।

    তবে ধস নেমেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। আর তা নিয়ে কটাক্ষের অন্ত নেই।এই আবহে সেই চা বিক্রেতা অনিল মোদীকে চিঠি লেখেন। তাতে লেখা, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি দাড়ি বাড়িয়ে চলেছেন। তবে যদি সত্যি কিছু বাড়াতে হয়, তাহলে ভারতীয়দের কর্মসংস্থান বাড়ান। টিকাকরণের গতি বাড়ান। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটান।

    লকডাউনে মানুষ যে দুর্দশার সম্মুখীন হয়েছে, তা থেকে তাদের তুলে আনুন। এই সময় সাধারণ মানুষের দুর্দশা দূর করুন।’এরপর অনিল আরও লেখেন, ‘আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে খুবই শ্রদ্ধা করি। আমি তাঁকে কষ্ট দিতে চাই না। আমি আজ আমার সঞ্চয় করা অর্থের থেকে ১০০ টাকা পাঠাচ্ছি আপনাকে।

    আপনি দয়া করে দাড়িটা কেটে ফেলুন। অতিমারী আবহে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই উপায় বেছে নিলাম আমি।’ অনিলের আবেদন, করোনায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। তাছাড়া লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।

  • এলপিজি সিলিন্ডার ‘রিফিল’-এর নিয়মে বড় রদবদল কেন্দ্রের

    সংবাদ সংস্থাঃ এলপিজি গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এবার থেকে এলপিজি গ্রাহকরা তাদের পছন্দের ডিস্ট্রিবিউটার বেছে নিতে পারবেন, তাদের থেকেই পরবর্তীতে সিলিন্ডার রিফিল করাতে পারবেন গ্রাহকরা।

    এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বিবৃতি প্রকাশ করে বলে, ‘এখন থেকে গ্রাহকরা বেছে নিতে পারবেন যে কোন ডিস্ট্রিবিউটারের থেকে তাঁরা এলপিজি সিলিন্ডার রিফিল করাতে চান। আপাতত পাইলট ফেজে এই প্রকল্পটি চালু করা হবে চণ্ডীগড়, কোইম্বাতোর, গুরুগ্রাম, পুণে এবং রাঁচিতে।’ কেন্দ্র জানিয়েছে, এই পুরো প্রকল্পটি এখনও পাইলট পর্যায়ে রয়েছে।

    কয়েকদিনের মধ্যেই এটি পূর্ণ মাত্রায় লঞ্চ করা হবে। মোবাইল অ্যাপ বা কাস্টোমার পোর্টাল থেকে যখন এলপিজি রিফিল বুক করা হবে, সেখানে ডিস্ট্রিবিউটারদের একটি তালিকা থাকবে এই প্রকল্প চালু করা হলে। পাশাপাশি এই তালিকায় ডিস্ট্রিবিউটারদের পারফর্ম্যান্স এবং রেটিং দেওয়া হবে।

    তা দেখেই গ্রাহকরা নিজেদের পছন্দমতো ডিস্ট্রিবিউটার বেছে নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউটারদের পারফর্ম্যান্সের মানেরও উন্নতি হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।

Back to top button