19 Jun 2021, 7:08 AM (GMT)

Coronavirus Stats

29,853,870 Total Cases
385,815 Death Cases
28,725,030 Recovered Cases

Breaking News

  • রাজ্যের কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ আরও ১৬ দিন বাড়ল রাজ্যের কঠোর বিধিনিষেধ। আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বাংলায় কড়া বিধিনিষেধ জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার নবান্নে সেই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলিই কার্যকর থাকবে। শুধুমাত্র পাটশিল্পে ৪০ শতাংশ উপস্থিতিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস টিকা নিয়ে নির্মাণ শিল্পে কাজ চালানো যাবে। মমতার কথায়, “পাটের বিভিন্ন সামগ্রী চাইছে পাঞ্জাব। তাঁরা বারবার অনুরোধ করছে। তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখে এবার পাটশিল্পে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে।” এছাড়াও মমতা বলেন, ‘আপনাদের একটা ধন্যবাদ জানাব, কোভিড কিছুটা হলেও কমেছে। এই যে আমরা বাধানিষেধ জারি করেছি, মানুষ তো এগুলিতে সহযোগিতা করছেন। মানুষ নিজেকেও নিজে রক্ষা করছেন। এর ফলে কিছুটা হলেও কমেছে। যেহেতু কিছুটা হলেও আমরা আর একটু সময় নিচ্ছি। এটার জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব।

  • রাজ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষন ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনা আবহে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষন ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, উচ্চমাধ্যমিকের পর যেহেতু অন্যান্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভরতির বিষয় থাকে, সেই দিক বিবেচনা করে চলতি বছরে মাধ্যমিকের আগেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে হবে উচ্চমাধ্যমিক। পরীক্ষার্থীরা নিজেদের স্কুলেই পরীক্ষা দেবে। সাধারণত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্ন থানায় রাখা হয়। স্কুলের থেকে থানার দূরত্ব বেশি হলে নিকটবর্তী প্রশাসনিক ভবনে প্রশ্নপত্র রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হবে আগষ্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে। পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আবশ্যিক বিষয়গুলির পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবশ্যিক ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে পরীক্ষা হবে না।বাকি বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে পূর্বের রেজাল্টের ভিত্তিতে নম্বর দেবে স্কুল। কমানো হবে পরীক্ষার সময়ও। ৩ ঘণ্টার পরীক্ষাকে দেড় ঘণ্টা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সব মিলিয়ে মোট ১৬ দিন পরীক্ষা হবে। যেহেতু প্রশ্নপত্র ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে, সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পূর্ণমানের অর্ধেক নম্বরের উত্তর দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের।মুখ্যমন্ত্রী জানান, করোনাবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার ব্যবস্থা হবে। পরীক্ষার আগে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিকে স্যানিটাইজ করতে হবে। মাধ্যমিকের নির্ঘণ্ট মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চ মাধ্যমিকের নির্ঘণ্ট উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরে ঘোষণা করবে।

  • নদীর জল ঢুকে প্লাবিত পাথরপ্রতিমার ১৫টি পঞ্চায়েত, ক্ষতি ফসল, কাঁচাবাড়ির

    রবীন্দ্রনাথ সামন্ত, পাথরপ্রতিমা: বুধবার ঘূর্ণিঝড় যশ এবং পূর্ণিমার ভরা কোটালে নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে পাথরপ্রতিমার ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জি-প্লট গ্রাম পঞ্চায়েত, শ্রীধরনগর, ব্রজবল্লভপুর, দুর্বাচটি, গোপালনগর, পাথরপ্রতিমা, বনশ্যামনগর, রামগঙ্গা, অচিন্ত্যনগরের কে-প্লট, লক্ষ্মী জনার্দনপুর , হেরম্ব গোপালপুর দিগম্বরপুরের কয়েকটি গ্রাম।

    নদীর জলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে প্লাবিত হয়েছে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সবজি এবং পুকুরের মাছ, পানের বরজ, কাঁচাবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা জানান। তিনি বলেন, এলাকার ত্রাণ শিবিরগুলিতে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দু’-একদিনের মধ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেমে গেলে ভেঙে যাওয়া নদীবাঁঁধ মেরামত করা হবে। ক্ষয়ক্ষতির পর্যালোচনা করা হবে বলে বিধায়ক জানান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সরকারিভাবে কীভাবে সাহায্য করা যায়, সেব্যাপারে ঠিক করা হবে বলে তিনি জানান।

    তবে এলাকায় কোনও মানুষের মৃত্যু অথবা গবাদিপশুর প্রাণহানি হয়নি বলে ব্লক আধিকারিক রথীন্দ্রচন্দ্র দে জানান।আয়লা, বুলবুল, আমফানের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরো শুকায়নি। বেঁচে থাকার জন্য বহু মানুষকে ভিন রাজ্যে কাজের সন্ধানে যেতে হয়েছিল। কিন্তু করোনার অতি মহামারীর ফলে বহু মানুষকে বাড়ি ফিরতে হয়েছে। এরই মধ্যে যশ ও পূর্ণিমার ভরা কোটালের জেরে প্রবল জলোচ্ছ্বাস বহু মানুষকে ঘরছাড়া করেছে।

    আশ্রয়হীন মানুষ এখন কী করবে ভেবে উঠতে পারছে না। একদিকে প্লাবনে ঘর ভেঙেছে, অন্যদিকে কাজ হারিয়ে বহু মানুষ অসহায়। গৃহহীন মানুষ ত্রাণ শিবির থেকে সংবাদমাধ্যমকে তাঁদের এই কষ্টের কথা জানিয়েছেন।

  • ঘূর্ণিঝড় “যশ” নয়, মানুষের রাতের ঘুম কাড়ল নদীর জল

    নিজস্ব সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ : ঘূর্ণিঝড় “যশ” নয়, মানুষের রাতের ঘুম কাড়ল নদীর জল। বুধবার পূর্ণিমার ভরা কটালের জোয়ারে নদী বাঁধ ভেঙে ও টপকে নোনা জলে প্লাবিত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।

    সকাল ৮টা বাজতেই বিভিন্ন এলাকায় নদীর নোনা জল ঢুকে যাওয়ার খবর আসতে থাকে। কুলপি, ডায়মন্ড হারবার, কুলতলী, গোসাবা, বাসন্তী, ক্যানিং, পাথরপ্রতিমা, সাগর, নামখানা ও কাকদ্বীপ এলাকার বিস্তীর্ণ গ্রাম নোনা জল ঢুকে প্লাবিত হয়। এই এলাকার প্রায় ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ এখন বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

    ইতিমধ্যেই প্রচুর কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাকে এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার প্রচুর পাকা বাড়িতে মানুষ রাত্রি যাপন করেছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন, ঘূর্ণিঝড় “যশ”-এর কারণে তাঁদের বাড়ির কোন ক্ষতি হবে না। তবে ঘূর্ণিঝড় “যশ” নয়, নদীর নোনা জলে ওই বাড়িগুলি প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এরপরই প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই বাড়ি গুলি থেকে মানুষজনকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে, তাঁদের ত্রান শিবিরে রেখেছেন।

    এদিন সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে নদীতে আবারও জোয়ার শুরু হবে। ওই সময় ঘূর্ণিঝড় “যশ”-এর প্রভাবে দমকা হাওয়া বইতে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে, এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

  • ‘যশের’ প্রস্তুতি

    এক বছর আগে ঠিক এই সময়ে আমফানে তছনছ হয়েছিল দক্ষিণ বাংলা। সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনো মানুষ ভুলতে পারেনি। তার মধ্যেই নতুন করে আবার বাংলার উপকূলবর্তী অঞ্চলে ঝড়ের ভ্রূকুটি। ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। আগামী ২৬-২৭ তারিখে সুন্দরবন এবং দীঘার উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। তবে এই নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কথায়, ‘এই ঝড়টাকেও আমফনের মতো মোকাবিলা করতে হবে।’এদিন ঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে নবান্ন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলাশাসক এবং রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সবাইকে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘আপনারা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন’। যে এলাকায় ঝড় আছড়ে পর্বে সেখানকার বাসীন্দাদের দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। তার জন্য ত্রাণশিবির গুলোকে মেরামত করতে এবং সব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। এলাকাবাসীদের সতর্ক করতে মাইকে প্রচার করার কথা বলেন। শুকনো খাবার, ওষুধ, ত্রিপল, স্যানিটাইজার ইত্যাদি অত্যাবশ্যকীয় জিনিস মজুত রাখার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়। এছাড়াও আগামী ২৩ তারিখের মধ্যে সমস্ত মৎসজীবিদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। বুধবার জেলাশাসক পি উলগানাথন এবং সমস্ত সরকারী আমলারা এক জরুরিকালীন বৈঠক করেন। বৈঠকে সমস্ত মহকুমা শাসক এবং বি.ডি.ও দের সমস্ত বিষয়ে প্রস্তুত থাকার কথা জানানো হয়। প্রয়োজনে গ্রাম প্রশাসকদের নিয়ে বৈঠকে বসার পরামর্শ দেওয়া হয়। একদিকে কোভিড ওপর দিকে ঝড়। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত বিধি মেনে নিরাপদ আশ্রয় প্রস্তুত করা খুবই চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। সেই যুদ্ধে নেমে পড়েছে প্রশাসন।

  • বাংলায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ৫

    করোনার সাথে নতুন আতঙ্ক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। সেই রোগে বাংলায় মোট আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানাল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। তবে এই নয়া রোগের কারণ কি ? করোনার সাথে কি এর কোন সম্পর্ক রয়েছে ? কেমন ভাবে ছড়িয়ে পড়ে এই রোগ ? তারজন্য কি কি সতর্কতা বিধি মেনে চলতে হয়। এই সমস্ত বিষয় এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সেই সব উত্তর পেতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

  • মুম্বইয়ে জাহাজে আটকে পড়া ১২৫ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    সংবাদ সংস্থা : ঘূর্ণিঝড় তাউকতের বিধ্বংসী হামলায় মুম্বইয়ের বার্জ পি ৩০৫-এ আটকে পড়া ১২৫ জনকে উদ্ধার করল যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কোচি। ভারতীয় নৌবাহিনীর এই যুদ্ধজাহাজের কম্যান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন সচিন সিকোরিয়া এদিন জানিয়েছেন, বার্জ পি ৩০৫-এ আটকে পড়া ১২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এখনও আরব সাগরে হাওয়ার গতিবেগ অত্যন্ত বেশি রয়েছে। এই অবস্থায় সমুদ্রে উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০-১০০ কিমি রয়েছে। আরব সাগরে ৯-১০ মিটার উচ্চতায় মুহুর্মুহু ঢেউ করোনাকালে ঘূর্ণিঝড় তউকতের দাপটে বড়সড় বিপদে পড়ে বাণিজ্যনগরী মুম্বই । মুম্বই উপকূলে থাকা বার্জ ৩০৫ ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কায় আরব সাগরেই উল্টে যায়। জানা গিয়েছে, ওই জাহাজে ২৭৩ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আগেই উদ্ধার করা হয়েছে ১৮২ জনকে।

    সাগরে ভাসতে থাকা গাল কনস্ট্রাক্টর-সহ আরও একটি জাহাজ থেকে মোট ৩৩৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। সোমবার থেকে লাগাতার উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার, একাধিক নৌকা। মুম্বই উপকূলের বিভিন্ন বাঁধে আটকে থাকা ৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে আগেই উদ্ধার করা হয়েছে।

  • প্রয়াত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়

    স্টাফ রিপোর্টার : বিশিষ্ট সাংবাদিক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আরও এক মৃত্যু। এবার ঘুমের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন ‘শার্দুল সুন্দরী’র স্রষ্টা শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার জগতের চেনা মুখ তিনি।

    কাজ করেছেন একাধিক বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলে। জার্মানিতে দয়চেভেলে বেতারের বাংলা বিভাগেও কাজ করেছেন। তাঁর লেখা উপন্যাস ও ছেটগল্পও জনপ্রিয় ছিল পাঠকদের মধ্যে। তাঁর মোট প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৪।সোমবার মধ্য রাতে গড়িয়াহাটের বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৫০। জানা গিয়েছে, বাথরুমে জ্ঞান হারান তিনি। সকালে তাঁর মেয়ে গিয়ে তাঁকে ওই অবস্থায় দেখতে পান। এরপর চিকিৎসকরা শীর্ষবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সাহিত্যিক মহল। সোমবার রাত ১০টা নাগাদ নিজের ফেসবুকে এক দুর্যোগঘন কালো আকাশের ছবি শেয়ার করে শীর্ষবাবু লিখেছিলেন ‘ওরে ঝড় নেমে আয়’। এটাই তাঁর শেষ ফেসবুক পোস্ট।

    তাঁর মতো খ্যাতনামা মানুষের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না কেউই।  শীর্ষবাবুর সেই ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে অনেকেই লেখেন, তাঁর মৃত্যু যেন ঝড়ের মতোই আকস্মিক ভাবে নেমে এল বাংলার সাংস্কৃতিক জগতে।

  • ধেয়ে আসছে আমফানের চেয়েও ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়, আছড়ে পড়তে পারে সুন্দরবনে

    বিশ্ব সমাচারের ওয়েবডেস্কঃ ফের ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। যা আছড়ে পড়তে পারে সুন্দরবন এলাকায়। আর এই ঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘যশ’। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ।

    যা ঘূর্ণাবর্তে পরিবর্তিত হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। সুন্দরবনে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তারপর অভিমুখ পরিবর্তন করে যেতে পারে বাংলাদেশে। হাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানান হয়েছে, আগামী ২ দিন আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। তাপমাত্রার পারদ পেরতে পারে ৩৯ ডিগ্রি। তবে শুক্রবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বঙ্গে। মঙ্গলবার বৃষ্টিতে ভাসতে পারে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়িতে, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২৩মে রবিবার আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়। এর জেরে চলতি মাসের শেষে প্রবল ঝড়, বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর তীব্রতা আমফানের থেকেও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকে।

  • ভয়াবহ আকার ধারণ করে গুজরাট উপকূলের পথে ‘সাইক্লোন’ তাওকতে

    স্টাফ রিপোর্টারঃ ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তাওকতে। মৌসম ভবনের তরফে জানান হয়েছে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ এই ঝড় গুজরাট উপকূলে পৌঁছে যাবে। এদিন ভোরে প্রায় ১১৮ থেকে ১৬৬ কিলোমিটার বেগে গুজরাটের ভাওয়ানগর জেলার পোরবন্দরে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে।

    গুজরাট ছাড়াও মহারাষ্ট্র, কেরল কর্ণাটকেও এর তীব্র প্রভাব পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। এই সমস্ত এলাকাগুলিতে প্রশাসনের তরফ থেকে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। সমুদ্রে থাকা মৎসজীবীরাও সংবাদ পেয়ে ফায়ার এসেছে। রবিবার সন্ধ্যে পর্যন্ত গোয়া উপকূলের খুব কাছেই পৌঁছে গিয়েছিল এই ঝড়। তাই বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফ থেকে সমস্ত উদ্ধারকারী বাহিনী তৈরী রাখা হয়। গোয়ার সমুদ্র সৈকত থেকেও পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এদিন কর্ণাটক, কেরল, মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী অঞ্চলেও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মৌসম ভবনের সূত্রানুযায়ী, “প্রথম ১২ ঘন্টায় গভীর নিম্মচাপ এবং পরবর্তী ১২ ঘন্টায় তা সাইক্লোনে পরিণত হবে। এরপর আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ শুক্রবার পর্যন্ত এর গতিমুখ উত্তরপূর্বে অবস্থান করছে। ১৮ মে গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” একদিকে করোনার দাপট অপরদিকে সাইক্লোন। এমন পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে রবিবার জরুরিকালীন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    ঝড়ের প্রভাবে থাকা সমস্ত এলাকা গুলি থেকে করোনা রোগীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার মহারাষ্ট্রের বেশকিছু অঞ্চলে করোনা টিকাকরণ কর্মসূচীও বন্ধ রাখা হয়েছে।

Back to top button