গঙ্গাসাগরের ৮ জায়গায় বিশ্ব যোগ দিবস পালিত

বিশ্ব সমাচার, সাগর: ‘স্বাস্থ্য ভাবনায় ভাবিয়ে তুলে রোগমুক্ত সমাজ গড়ি’— এই ভাবনাকে পাথেয় করে গঙ্গাসাগরের আটটি জায়গায় অনুষ্ঠিত হল অষ্টম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এই দিবসে ইন্টারন্যাশনাল ন্যাচারোপ্যাথি অর্গানাইজেশন, ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রণালয় ও পতঞ্জলি যোগ সমিতিকে সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন গঙ্গাসাগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যোগ শিক্ষক, আয়োজক অনুপকুমার সাহু ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা যোগ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের যোগগুরু রণজিৎ বালা। কপিলমুনি আশ্রম, মনসাদ্বীপ রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, ধবলাট লক্ষ্মণ পরবেশ উচ্চ বিদ্যালয়, পল্লিমঙ্গল কেজি অ্যান্ড নার্সারি স্কুল ছাড়াও আরও চারটি জায়গায় শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও যোগানুরাগী বৃন্দ। পাঁচশোরও বেশি ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, অভিভাবিকা ছাড়াও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।সাগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যোগ শিক্ষক অনুপবাবু বলেন, এখন মানুষ ওষুধ নির্ভরশীল জীবনযাপনে অভ্যস্ত। যার ফলে মানুষের নতুন নতুন এবং জটিল রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যা নিরাময় হতে পারে যোগের মাধ্যমে। এতে কোনও ওষুধের প্রয়োজন হয় না। কীভাবে মানুষ প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকতে পারে, তার উদ্দেশ্যই ছিল এই যোগ দিবস মহড়ার মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, আমরা যদি প্রত্যেক দিন অন্তত আধঘণ্টা করে শরীরের পিছনে সময় দিই, তাহলে আমাদের আর শরীর নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তার সঙ্গে আমাদের জীবনশৈলী এবং খাওয়ার পদ্ধতিও পরিবর্তন করতে হবে। আমরা যদি খাবারটাকে ওষুধের মতো করে খাই, তাহলে আমাদের আর ওষুধ খেতে হবে না। রঞ্জিত বালা বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা যোগ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে মোট ৩২টি জায়গায় যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। শিবিরগুলিতে যোগা প্রোটোকল সিলেবাস অনুসারে যোগাভ্যাস ও ডেমোনস্ট্রেশন করা হয়।অপরদিকে, বিশ্ব যোগ দিবসে নামখানার নারায়ণপুরে চারশোর বেশি ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

Related Articles

Back to top button
error: Content is protected !!