জাওয়াদের মোকাবিলায় সতর্ক সুন্দরবন, মাটির বাড়ি থেকে সরানো হচ্ছে মানুষকে

রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও অমিত মণ্ডল, নামখানা:
যশ ঘূর্ণিঝড়ের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে চলেছে বাংলাতেও। সেকারণে মাইকে সতর্কতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে সুন্দরবন উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। উপকূলীয় মানুষকে সতর্ক ও সচেতন করা হচ্ছে।সুন্দরবন পুলিশ জেলা এবং ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, নামখানা, সাগর ও পাথরপ্রতিমা থানা এলাকায় চলছে মাইকিং।

মৎস্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবারের মধ্যে সব মৎস্যজীবী যেন নিরাপদ জায়গায় ফিরে আসেন। কারণ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবী সংগঠনগুলিকে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কাকদ্বীপে এনডিআরএফের একটি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যশের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগে থেকে সবরকম প্রস্তুতি রেখেছে ব্লক ও জেলা প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় যখন আছড়ে পড়বে, সেই সময় চলবে ভরা কটাল। নদীতে জলোচ্ছ্বাস বাড়বে অনেকটাই। নদী ভাঙন কবলিত এলাকাগুলিতে বিপদ অনেকটাই বেশি। তাই সেচ দপ্তরকে আগেভাগে সর্তকতা নিতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। জলের চাপে নদীবাঁধ ভেঙে গেলে পরমুহূর্তে মেরামতের ব্যবস্থা আগে থেকেই নিয়ে রাখতে হবে।

নামখানা ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে মাটির বাড়িগুলি থেকে মানুষজন সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টারগুলিতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দফায় দফায় মাইকিং করা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন নামখানার বিডিও শান্তনু সিংহঠাকুর।

Related Articles

Back to top button
error: Content is protected !!