26 Jul 2021, 6:53 AM (GMT)

Coronavirus Stats

31,439,764 Total Cases
421,411 Death Cases
30,613,047 Recovered Cases
খবরদক্ষিণ ২4 পরগণা

বকখালি পর্যটন কেন্দ্রকে আকষর্ণীয় করতে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের

রাজকুমার সূত্রধর: বকখালি পর্যটন ক্ষেত্র হলেও দর্শনীয় স্থান বলতে তটভাঙা শ্রীহীন সমুদ্র। ফলে পর্যটকরা
বেড়াতে গিয়ে সমুদ্র ছাড়া আর কিছু দেখতে পান না। এই জায়গাকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য গঙ্গাসাগর বকখালি
উন্নয়ন পর্ষদ তৎপর হয়েছে। তবে এই তৎপরতার ভিতর পর্যটন বিকাশের যেমন ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখান
থেকে স্থানীয় মানুষের রোজগারের বিষয়টিও ভাবনার মধ্যে রয়েছে।

গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান
যোগরঞ্জন হালদার বলেন, এখন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও করোনার মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের কোষাগার অনেকটা
টানাটানি করে চলছে। সেদিকে নজর রেখে পর্ষদকে যাবতীয় উন্নয়মুখী কাজ করতে হবে। স্বাভাবিকভাবে জিবিডিএ
বকখালিকে দর্শনীয় করার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভেবেছে। তার সঙ্গে স্থানী মানুষের আয়ের পথ যাতে
করে দেওয়া যায়, সেদিকে জোর দিচ্ছে পর্ষদ। বকখালিতে বাইরে থেকে প্রচুর পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। এর ভিতর
অনেকে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন।

কিন্তু বকখালিতে কেনাকাটার মতো কোনো জিনিস নেই। সেই রকম ব্যবস্থাও
নেই। জিবিডিএ এই ফাঁকটা পূরণ করতে চায়। ওই এলাকায় অনেক স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর মহিলারা রয়েছেন। তাঁরা দেশীয়
পদ্ধতিতে নানা ধরণের জিনিস তৈরি করেন। গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদ স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর মহিলাদের একটি
জায়গাতে ছোট ছোট দৃষ্টিনন্দন কুড়েঘর তৈরি করে বসবার ব্যবস্থা করে দেবে। পর্যটকরা ওই সব কুড়েঘরে এসে
তাঁদের মনপসন্দ যা যা জিনিস ভালো লাগবে তা কিনতে পারবেন। তাতে করে বেড়ানোর পাশাপাশি কেনাকাটার শখ
অনেকটা পূরণ হবে পর্যটকদের। স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর সদস্যদের পাকাপাকি রোজগারের একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
প্রথম দিকে কুড়েঘর থেকে ভাড়া বাবদ কোনো পয়সা নেওয়া হবে না। রোজগার ভালো জায়গাতে পৌঁছালে তখন যাচাই
করে জিবিডি টোকেন পয়সা সংগ্রহ করবে।

বকখালিতে বন বিভাগের আওতায় বেশ কিছু হরিণ, কুমির সংরক্ষণ করে
রাখা আছে। পর্যটকদের কাছে ওই জায়গাটি আরও মনোরম করার জন্য দুটো হাতি, ঘোড়া, হনুমান আনানোর কথা
ভেবেছে জিবিডিএ। বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগের সঙ্গে কথা বলা হবে। এক্ষেত্রে ২ টাকার টিকিট এর ব্যবস্থা করা হবে।
পর্ষদ থেকেও বন বিভাগকে যথাসাধ্য সাহায্য করা হবে। আগামী জুলাই মাসে জিবিডিএ এর প্রশাসনিক বৈঠকে
বিষয়গুলি তোলা হবে। যাতে তা করা যায়। এছাড়াও আরও কয়েকটি পরিকল্পনা রয়েছে। তা হল, ফ্রেজারগঞ্জে
ফ্রেজার সাহেবের বাড়ি এখন ভগ্নদশা ও জঙ্গল ভরে গেছে।

তাকে ঠিকঠাক করে পর্যটক উপযুক্ত হিসেবে গড়ে
তোলার কথা ভাবা হয়েছে। সাগর ও বকখালি জুড়ে মৎস্যজীবীদের বাস। এই দু’টি জায়গাতে মৎস্যজীবীদের জন্য
আশ্রয় শিবির ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার কথা মাথায় রয়েছে।

Related Articles

Back to top button