26 Jul 2021, 7:23 AM (GMT)

Coronavirus Stats

31,439,764 Total Cases
421,411 Death Cases
30,613,047 Recovered Cases
খবরখেলা

প্রথম বার অলিম্পিক্সে রূপান্তরকামী, ইতিহাস নিউজিল্যান্ডের লরেল হুবার্ডের

সংবাদ সংস্থা : ২০১৫ সালের কমনওয়েলথ গেমসে হাত ভেঙে যাওয়ার পর মনে করেছিলেন, সব কিছু শেষ হয়ে গেল। কিন্তু তেমনটা হয়নি। বরং দাপটের সঙ্গে ফিরে এসেছেন নিউজিল্যান্ডের লরেল হুবার্ড। প্রথম রূপান্তরকামী অ্যাথলিট হিসেবে আসন্ন টোকিয়ো অলিম্পিক্সে খেলার ছাড়পত্র পেলেন ৪৩ বছরের এই ভারোত্তোলক।

তবে ইতিহাস গড়লেও তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একরাশ বিতর্ক। মহিলাদের ৮৭ কেজি বিভাগে নামতে চললেও সেটা একাধিক দেশের ক্রীড়া সংস্থা ও প্রাক্তন অ্যাথলিটরা মেনে নিতে পারছেন না। চলছে তীব্র প্রতিবাদ।২০১৩ সাল পর্যন্ত হাবার্ড পুরুষদের বিভাগে নামতেন। ২০১৫ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল রূপান্তরকামী অ্যাথলিটরা অলিম্পিক্সে মহিলা বিভাগে অংশ নিতে পারবেন। তবে অন্য মহিলাদের সঙ্গে লড়তে হলে সেই রূপান্তরকামী অ্যাথলিটের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রতি লিটারে অন্তত ১০ ন্যানোমোলস হতে হবে। কোনও প্রতিযোগিতায় নামার কমপক্ষে ১২ মাস আগে এই পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক বলেও জানিয়েছিল অলিম্পিক্স কমিটি।নিউজিল্যান্ড অলিম্পিক সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা হুবার্ডকে অলিম্পিক্স খেলানোর ব্যাপারে সব সময় সাহায্য করেছি। সে এখন পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই ওর মহিলাদের বিভাগে নামতে কোনও বাধা নেই।’ সেই নির্দেশ মেনেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন এই ভারোত্তোলক।

হুবার্ড বলছেন, “গোটা দেশ ও আমাদের অলিম্পিক্স সংস্থা পাশে না দাঁড়ালে এত বড় সুযোগ আমার জীবনে আসত না। তিন বছর আগে কমনওয়েলথ গেমস খেলার সময় আমার হাত ভেঙে যায়। সেই সময় অনেকেই খেলা ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু আমার মন সায় দেয়নি। তবে পরিবার, কাছের কয়েক জন বন্ধু ও দেশের অলিম্পিক্স সংস্থার কর্তাদের ভালবাসার সৌজন্যে গত ১৮ মাসে সেই অন্ধকার সময় কাটিয়ে উঠেছি।”

Related Articles

Back to top button