24 Jul 2021, 5:06 AM (GMT)

Coronavirus Stats

31,332,159 Total Cases
420,043 Death Cases
30,503,166 Recovered Cases
খবরদক্ষিণ ২4 পরগণা

নামখানায় শুকনো মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক

অমিত মন্ডল ও রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, নামখানা : শুকনো মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হল বিতর্ক। বুধবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার ফ্রেজারগঞ্জের পশ্চিম অমরাবতী গ্রামের বালিয়াড়া এলাকায় ছিল চাপা উত্তেজনা। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অমরাবতীর নদীর চরে বর্ষা কালীন সময়ে মাছ শুকনো করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়।

ওই এলাকায় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে মাছ শুকনো করার জন্য কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ীকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ঝামেলা। গ্রামের একটা অংশের বাসিন্দার অভিযোগ, এই এলাকায় শীতকালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা হয়। কিন্তু বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা হলে, পরিবেশগত দিক থেকে সমস্যা হয়।

বিশেষত মাছ শুকনো করার জন্য যে ঔষধ ব্যবহার করা হয়, সেই ঔষধ খুবই ক্ষতিকারক বলে অভিযোগ। অতীতে ওই এলাকায় বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা হওয়ার জন্য, বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এমনকি গরু ও ছাগল মারা গিয়েছে বলেও অভিযোগ। আর তাই গ্রামের একটা অংশের বাসিন্দা বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা করা নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

অন্যদিকে ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিদের ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বদের দাবি, অতীতেও ওই এলাকায় বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা করা হয়েছিল। এছাড়াও বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষজন অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় যশ ও পূর্ণিমার ভরা কটালের জলোচ্ছ্বাসেও এই এলাকার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় শুকনো মাছের ব্যবসা হলে, স্থানীয় বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এছাড়াও যে এলাকায় শুকনো মাছের ব্যবসার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই এলাকাটি একেবারে নদীর তীরে। তাছাড়া এই মাছ শুকনো করার বিষয়ে অধিকাংশ গ্রামবাসী সম্মতি জানিয়েছেন। ওই এলাকায় গরু ও ছাগল যায় না কারণ ওই স্থানটি বালির চর। ওই এলাকায় শুকনো মাছের ব্যবসা হলে এলাকাবাসীর কোন সমস্যা হবে না বলে, পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা দাবি করেছেন।

তাঁরা আরও জানান, পরিবেশগত সমস্যা যাতে কোন না হয়, সেই বিষয়ে নজর রেখে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ওই এলাকার একটা অংশের বাসিন্দা বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসার বিরোধিতা করে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button